Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  পাঠকের মতামত  ||  ৯ম বর্ষ ২য় সংখ্যা জ্যৈষ্ঠ ১৪১৬ •  9th  year  2nd  issue  May-June  2009 পুরনো সংখ্যা
পাঠকের মতামত Download PDF version
 

পাঠকের মতামত








প্রচ্ছদ

প্রচ্ছদশিল্পী : তাজুল ইমাম

http://www.porshi.com/news_details.php?nid=37&rd=y

 

খুবই সুন্দর।

- অলকা চৌধুরী

মে ৩, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

ইতিহাসকে তুলে ধরার জন্য যেকোন ধরণের শিল্পই উৎকৃষ্ট মাধ্যম। সুন্দর কাজ।

- তনু রশীদ

এপ্রিল ২৭, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

জিয়া বিমানবন্দরের সামনে লালনের ভাষ্কর্য্যের অবিলম্বে পুনপ্রতিষ্ঠা করার জন্য ছবি আঁকুন।

- মিয়া সাহেব

এপ্রিল ২৪, ২০০৯

 

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টায় শিল্পীকে অভিবাদন। ছবি কথা কয়।

- সউদ চৌধুরী

এপ্রিল ২১, ২০০৯

 

চমৎকার একটি ছবির জন্য শিল্পীকে অনেক ধন্যবাদ। আসুন সবাই মিলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সহায়তা করি।

- গ্রীন

এপ্রিল ২০, ২০০৯

 

এই ছবিটি আমাদের সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেয়- যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করা যায় না, কখনোই না। তাজুল ইমামের মেধাদীপ্ত ছবিটির জন্য ধন্যবাদ। 

- শামীম আজাদ

এপ্রিল ২০, ২০০৯

 

সম্পাদকীয় 

শুভ নববর্ষ ও অনলাইন পড়শী

http://www.porshi.com/news_details.php?nid=66&rd=y

 

অনলাইন প্রকাশনার ব্যাপারে জনাব হাসান যে মন্তব্য করেছেন তার সাথে শুধু একটু যোগ করতে চাই- আর তা হল অনলাইন পাঠকরা শুধু পড়তেই পারছেন না, সাথে সাথে মতামতও রাখতে পারছেনঅর্থাৎ নিজেকে একজন অংশগ্রণকারী হিসেবেও দেখতে পারছেনএই অনুভতি খুবই তৃপ্তিদায়কআমার বিশ্বাস, এতে পড়শীর পাঠক সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে আরও বহুগুণঅজস্র অভিনন্দন পড়শীর এই নব যাত্রায়

- কবীর ইসলাম, নিউ জার্সী 

এপ্রিল ২৭, ২০০৯

 

মূল রচনাবলী : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার : জাকিয়া আফরিন


ভালো লাগলো

- অপু

এপ্রিল ১৮, ২০০৯

 

ধন্যবাদভালো লাগলোকিন্তু সমস্যা হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে গিয়ে বেবাক জনগণের কথা ভুলে গেলে চলবে কি করে সরকারের? যেখানে নিত্যদিনের সমস্যার মধ্যে ইলেক্ট্রিসিটি, ইন্টারনেট, রাস্তার যানজট সেখানে.....

- সাগর চৌধুরী

এপ্রিল ১২, ২০০৯

 

প্রস্তাব পাসই যথেষ্ট নয় যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু হোক

: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী


অধ্যাপক সিরাজ চৌধুরী আমার ছাত্র-জীবনের বন্ধুওর পুরো লিখাটির বিশ্লেষণ-বিষয়বস্তুর সাথে একমত পোষণ করি শুধু করি না একটি বিষয়ে, সেটি হচ্ছেঃ সে যখন বলে "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে" সিরাজ চৌধুরী আবার বলছে "হতেই হবে"সে আশাবাদীআমি এতোটা আশাবাদী হতে পারছি না অথবা এতোটা আশাবাদী নইআমি বাস্তববাদী হতে চাই! আমাদের জাতীয় চরি্ত্রের একটা বড়ো অংশ জুড়ে আছে ভাবালুতা, পেছনের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলা, সম্মুখের দিকে তাকিয়ে মনের মুকুরে রামধনুর রঙ আকাঁআমরা এক দৌড়ে অনেক কিছু হাসিল করতে পারিকিন্তু ধীরে-সুস্থে দিন-মাস-বছরের সুদীর্ঘ সময়ের প্রেক্ষাপটে আমরা কিছু করার ধৈর্য খুঁজে পাই নাএটি আমাদের জাতীয় চরিত্রআমাদেরকে এটি মনে রেখেই এগিয়ে যেতে হবে ভাষা-যুদ্ধ, মুক্তি-যুদ্ধ, দুটোর সাথেই আমি জড়িত ছিলামতখনও দেখেছি, এখনও দেখছি, ভাবালুতা কতোখানি আমাদের জাতীয় চরিত্রকে প্রভাব করেদেশে কতো রাজনৈতিক হত্যাকান্ড হয়ে গেলকতো কমিশন তৈরি হলোএক নেত্রীর পিতা, অপর নেত্রীর স্বামী, এবং আরো কতো হত্যাকান্ড চোখের সম্মুখে ঘটে গেলএই সেদিন হয়ে গেল বিডির হত্যাযজ্ঞ (আমি তখন ঢাকায় ছিলাম)কতো কমিশন, কতো অনুসন্ধান কমিটি! সবশেষে পর্বতের মুষিক প্রসব!- আমি দুঃখি, এতো কঠিন কথা বলতে হলো নিজের দেশের মানুষের সম্বন্ধে২৬শে মার্চ যারা অস্ত্র হাতে নিয়েছিল এবং যারা ১৬ই ডিসেম্বর অস্ত্র জমা দিয়ে বিজয়ীর বেশে যারা ঘরে ফিরে গিয়েছিল, তারা তো সেদিন বোঝে নি, যাদের হাতে অস্ত্র জমা দিয়েছিল তারা তো যুদ্ধ করেনিমরা যেন এই বৃত্তে ঘুরছি!

- মোমিনুল হক

এপ্রিল ১৪, ২০০৯

 

যুদ্ধাপরাধ এবং বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের বিচারের উদ্যোগ সম্পর্কে মতামত

পাকিস্তানী সৈন্যবাহিনীর বিচারের দাবী ভুললে চলবে নাতারা আরও বেশি অপরাধীআত্মসমর্পণের পরে তাদের জনসাধারনের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি, যুদ্ধবন্দীর সুবিধা দেওয়া হয়েছেঅতএব, সেই সেনাবাহিনীর অফিসারদের আন্তর্জাতিক ন অনুযায়ী যুদ্ধপরাধের বিচারের আওতায় আনতে হবেএদের মদতে এবং সক্রিয় অংশগ্রহণে গণহত্যা ও গণধর্ষণ সংঘটিত হয়েছিল, এদের সাহায্য ছাড়া রাজাকাররা অপরাধ করতে সাহস পেত নাসেই অপরাধী অফিসাররা পাকিস্তানে বসে মোটা পেনশন নিয়ে আয়েশ করবেন, আর তাদের জ্ঞাবাহকদের শুধু শাস্তি হবে এটা ঠিক নয়

মানস রায়

এপ্রিল ২৪, ২০০৯

 

সত্যিকার মুক্তিযোদ্ধারা কখনোই স্বীকৃতি পায়নি। আমি মনে করি এই যুদ্ধাপরাধী বিষয়টি খুবই পীড়াদায়ক এবং বিভ্রান্তিকর। যারা সেসময় দেশের বাইরে (যুক্তরাষ্ট্রে) অথবা মুজিবনগরে অবস্থান করছিলেন, তারাই আজ দেশপ্রেমিক এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন। আমাদের আজ কেন পেছন দিকে ফিরে যেয়ে কে যুদ্ধাপরাধী আর কে নয় সেটা খুঁজে বের করতে হবে? এটা আমদের দেশের উন্নতির পথে বিশাল অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। নতুন সমস্যা তৈরী এবং তা বিস্তৃতির পরিবর্তে আমাদের আজ গভীর দৃষ্টি দিতে হবে কিভাবে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি করা যায় সেদিকে। আমি তথাকথিত যুদ্ধাপরাধীদের খুজে বের করা এবং শাস্তিপ্রদানের ব্যাপারে চরম বিরোধী। তার চেয়ে চলুন সবাই সামনের দিকে এগিয়ে যাই বিধ্বংসী চিন্তাভাবনা ছেড়ে সৃজনশীলতাকে বেছে নেই। ধন্যবাদ।

- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

এপ্রিল ১৪, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

যুদ্ধাপরাধ ৭১ : গণহত্যার এক অসাধরণ প্রামাণ্যচিত্র : সালেহীন মনোয়ার রেশাদ

 

আমার প্রশ্ন, জনাব শাহরিয়ার কবির কি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন? যদি তিনি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে থাকেন, তবে তিনি কেন তা প্রামাণ্য চিত্রে উল্লেখ করলেন না?

- মাসুম আহমেদ

এপ্রিল ১৮, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

প্রতিটি দেশেরই তাদের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা উচিত। যারা যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে তারাও একই অপরাধে অপরাধী। তাদের কি বিচার হওয়া উচিত নয়?

- এফ এইচ 

এপ্রিল ১৬, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

নিয়মিত কলাম

 

ইদহে শোমা মোবারক শুভ নববর্ষ  : ওয়াহেদ হোসেনী

বিশ্বের অগণিত পাঠকের জন্য অনলাইনে প্রকাশের জন্য পড়শীকে অভিবাদন। এখন থেকে পড়শীর বিখ্যাত লেখকদের লেখা পড়তে সময় এবং অর্থ দুটোরই সাশ্রয় হবে। তাদের মধ্যে ওয়াহেদ হোসেনী আমার একজন প্রিয় লেখক, যিনি বিগত বছরগুলোতে সাম্প্রতিক বিষয়াদির উপর পাঠকদের জন্য অনেক মূল্যবান প্রবন্ধ লিখেছেন। নতুন বছর থেকে পড়শীর অনলাইন যাত্রা শুভ হোক এই কামনা করছি। শুভ নববর্ষ।  

- জেবুন্নেসা রহমান

এপ্রিল ১৮, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

প্রিয় ওয়াহেদ, তোমার লাখাটি ভালো লাগলো ইরানের নববর্ষ সম্বন্ধে আমি কিছুই জানতাম নাএখন জানলামধন্যবাদএভাবে দেশবিদেশের কেচ্ছা মাঝে মাঝে যদি পরিবেশন করা যেত 'পড়শী'র পাতায় তাহলে, আমার মনে হয়, পত্রিকাটি আরো আকর্ষণীয় হতএকে অন্যকে জানা, পরস্পরের মনের কথা শোনা, এটা যদি আমারা সবাই করতে পারতাম তাহলে পৃথিবীর এই যে বিপুল অস্থিরতা আজকে তার অনেকটাই মোচন হয়ে যেতভালো থেক, সুস্থ থেকো, এবং বসন্তের পাখিদের পানে কান পেতে থেকো মীজান ভাই

- মীজান রহমান 

এপ্রিল ১৭, ২০০৯

 

সাম্প্রতিক

পিলখানা ট্রাজেডি - বিদ্রোহ না গণহত্যা : অনিকেত শামীম

নিঃসন্দেহে, বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নিহত হবার ঘটনার পরে, এই ঘটনাটিই আমাদের দেশের সবচেয়ে ট্র্যাজিক ঘটনা কিন্তু অনেকের মত আমারও সন্দেহ হয় যে অন্যান্য দুঃখজনক ট্র্যাজেডীর মত এই ব্যাপারেও কোন স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত হয় কি না

- কবীর ইসলাম, নিউ জার্সী

এপ্রিল ২৭, ২০০৯

 

জনাব মোহাম্মদ আখতার, আপনি কি অনুগ্রহ করে বলবেন আপনি কিভাবে এই ঘটনার সাথে হাসিনার যুক্ত থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত হলেন। বরং আমি নিশ্ছিত করে বলতে পারি আপনি ইদানিং একটু বেশীই সুনীতা পালের লেখা পড়ছেন। আমার ধারণা একটি যৌথ টাস্কফোর্স সৃষ্টি হলে তা বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মঙ্গলই, যা কিনা পাকিস্তানের মতো দেশ ব্যর্থ হচ্ছে খুব সহসাই পাকিস্তান পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। পাকিস্তানের এই পরিণতি আমাদের দেশের জনাব আখতারের মতো কিছু লোকের হৃদয় ব্যথার কারণ হতে পারে। তাদের এই সত্যটি মেনে নিয়ে এই সংবাদটির তার জন্য প্রস্তুত থাকাই শ্রেয়। আর ভারতীয় কমান্ডো সম্পর্কে বলতে হয়, এই কমান্ডোরা তাদের নিজেদের দেশের জনগণকেই রক্ষা করতে পারেনি, তারা কিভাবে বাংলাদেশের একটি প্রশিক্ষিত বাহিনীকে হত্যা করবে? বরং আমি ৫০০% নিশ্চিত যে আইএসআই এবং জামাতীরাই এই ঘটনার সাথে যুক্ত।

- মাসুম

এপ্রিল ২৩, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

আসল রহস্য উদঘাটনের জন্য কি আসলেই কোন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে? এখন পর্যন্ত মনে হচ্ছে না হয়নি।

- রবি

এপ্রিল ১৫, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

আমি একশ ভাগ নিশ্চিত যে এই হত্যাযজ্ঞের আগেই শেখ হাসিনা ব্যাপারটা জানতেন। তিনি এই হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনার সাথেও যুক্ত ছিলেন। এর কারণ হল- এক, যৌথ টাস্ক ফোর্স বাংলাদেশে আসার ব্যাবস্থাকে ত্বরান্বিত করা। যৌথ টাস্ক ফোর্স হল ভারতীয় ও মার্কিন বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত। তিনি যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন তাতে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় তিনি আগে থেকেই পুরো ব্যাপারটাই জানতেন। দ্বিতীয় কারণটি হলো এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে ভারতীয় কমান্ডো। তারা এসে তাদের মিশন সম্পন্ন করে পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেছে।

- মোহাম্মদ আখতার

এপ্রিল ১৫, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)


জাতির পিতা হত্যা থাকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যতো রাজনৈতিক নাশকতা ঘটে গেছে দেশে, এর কোনটির বিচার হয়েছে, - আমার তা জানা নেইবিডিআর হত্যারও কোন বিচার হবে কিনা আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছেএটি একটি মর্মান্তিক সত্য!

- মোমিনুল হক

এপ্রিল ১৪, ২০০৯

 

আমি একটি বিষয়ে নিশ্চিযে তথাকথিত রাজনীতিবিদরা যতদিন বাংলাদেশ ক্ষমতায় থাকবেন, ততোদিন সত্য কখনো প্রকাশিত হবেনা। অবশ্যই এই কুচক্রীরা আজীবন ক্ষমতায় থাকবে এবং একই রকম ঘটনা ভবিষ্যতে আবার ঘটাবে, যদি না বাংলাদেশ কোন বড় অঘটন না ঘটে, যা কিনা সব বদলে দেবে।

সবকিছু তৈরী করা। কমিটি, কুটনীতি, রাজনীতি, বক্তৃতা, আলোচনা, সমালোচনা সবকিছু চলছে পরিকল্পনা মাফিক। সত্য কখনোই উদ্ঘাটিত হবে না। বিধবা এবং এতিমদের অশ্রুপাত কখনো বন্ধ হবে না। শহীদদের পিতা-মাতারা তাদের সোনার সন্তানদের ছাড়াই কোনভাবে বেঁচে থাকবেন। আর আমরা সাধারণ জনগণ লাল ফিতার নীচে নিষ্পেষিত হব। 

- বাংলাভাষী

এপ্রিল ১৪, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

যদি সব কিছু, বিশেষ করে ষড়যন্ত্রকে ক্ষমা করে দেয়া হয়, যেমনটি করা হয়েছিল নবাব সিরাজউদ্দৌলার ক্ষেত্রে, তাহলে জাতি তার সার্বভৌমত্ব হারাবে।

- লোকমান আলী

এপ্রিল ১৪, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

প্রযুক্তি বন্ধন

 

কমিউনিটি রেডিও উদ্যোগ : এ এইচ এম বজলুর রহমান

আমার মতে এটি একটি খুব সুন্দর উদ্যোগ। কমিউনিটি রেডিও তৃণমূল পর্যায় থেকে ডিজটাল বাংলাদেশ গড়ার ব্যাপারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

- কল্লোল

নেদারল্যান্ড

এপ্রিল ১৫,২০০৯

 

সাহিত্য

নিবন্ধ : নতুন দিনের সম্মুখে  : মীজান রহমান

 

চাচা, লিখে যান। এখনো আমরা বই-এর পাতা উল্টাতে ভালবাসি।

- সউদ চৌধুর

এপ্রিল ২১, ২০০৯

 

আমি নিজের অনুভূতি বাংলা বা ইংরেজীতে প্রকাশ করতে না পারলেও আমি আপনার অনুভূতিটা ঠিকই বুঝতে পারছি। আপনি এবং আমি হলাম পুরাতন ফসিল। আপনি হয়তো বিশ্বাস করবেন না, সেদিন ডাক্তারের অফিসে এক রোগীকে তার ল্যাপটপসহ দেখলাম। আমিও হার্ডকপি পড়তে পছন্দ করি। তবে আমি স্বীকার করছি, গত কিছুদিনের মধ্যে আমি যত না বই পড়েছি, তার থেকে বেশী বই আমি গাড়ীতে বসে শুনেছি। তবে যখন আমি কোন একটি শোনা বই থেকে কোন লাইন বা উক্তি কোট করতে চেয়েছি, তা আর খুঁজে পাইনি। আমি আমার একটি সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা এখানে বলতে চাই। আমি সম্প্রতি পশ্চিম বঙ্গের মিদনাপুর গ্রামে আমার পিতামহের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। পরিপাটি সুসজ্জিত হয়ে সত্তর বছরের আমি, যে কিনা এখন পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশের একটি আরামদায়ক বাড়িতে বসবাস করে, যখন তার পূর্বপুরুষের ইট ও লোহার বীমের ১৯০০ খ্রীষ্টাব্দের প্রথম দিকে তৈরী বাড়ির ধ্বংসাবশেষের সামনে দাঁড়ায়, তা কখনোই গর্বের বিষয় হতে পারে না। কিন্তু তার সময়ে সে কিন্তু সত্যিই গর্বের ব্যাপার ছিল। আমরা আমদের সেরাটি দিয়ে নতুন প্রজন্মের জন্য সরে দাঁড়াই। তারা কৃতজ্ঞচিত্তে আমাদের স্মরণ করবে।

- ওয়াহেদ হোসেনী

এপ্রিল ১৫, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

ছোটগল্প : অস্পষ্ট  : হামিদ কায়সার

বেশ ভাল লাগল

- নাম লেখেন নি

এপ্রিল ২৭, ২০০৯

ইউনেস্কোর চোখে সাহিত্যের দ্বিতীয় শহর মেলবোর্ন  : দিলরুবা শাহানা

প্রিয় বান্ধবী দিলরুবার সুন্দর মেলবোর্ন প্রবন্ধটি হেলা বৈশাখে পড়ে খুব ভাল লাগল। অবশ্যই এটি পড়শীর একটি অমূল্য উপহার। লেখকদের এই মহা উৎসবে অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও ৪০ শতাংশ বেশী টিকেট বিক্রির কথা পড়ে বেশ উৎসাহিত বোধ করছি। ভবিষ্যত বিশ্বে  সাহিত্য ব্যতীত বিজ্ঞান যে অসম্পূর্ণ তারই একটি নিশ্চিত সংকেতই বলতে হবে এটাকে। পড়শী তার সুখ্যাতি বজায় রাখবে এই কামনা করছি।

- আলবেলী, যুক্তরাষ্ট্র

এপ্রিল ১৫, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

এটা জেনে ভাল লাগল যে মেলবোর্ন শহরকে বিশ্বে সাহিত্যের দ্বিতীয় নগরী হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। মেলবোর্নে বাংলাদেশীরা কি কোন সাহিত্য বা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে জড়িত?

- ফরিদা জেহরীন

এপ্রিল ১৫, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

উত্তর আমেরিকায় কর্মকান্ড

বঙ্গ সম্মেলন- বাংলাদেশ, বাংলা সংস্কৃতির উৎসব : আশফাক স্বপন

যদি সম্ভব হয় আপনারা তসলিমা নাসরীনকে আমন্ত্রন জানান।

- নাম লেখেন নি

মে ৫, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

ঢাকা-কলকাতা, দুই বঙ্গের রাজধানী থেকে ইসলামী ফতোয়ায় নির্বাসিত কবি তসলিমা-কে NABC -তে আমন্ত্রণ জানানোর দাবী তুলুনযারা তসলিমাকে আমন্ত্রণ ও সংবর্ধনা জানাতে ভয় পান তারা ইসলামী ফতোয়ার নীরব সমর্থক মাত্র

- মিয়া সাহেব

এপ্রিল ২৪, ২০০৪

ফোবানা ২০০৯ : প্রাক্ কথন  : সালেহীন মনোয়ার রেশাদ

 

আগের মতামতটিতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লেখক একটি মন্তব্যে কমিউনিটিকে সাধারণ মানে নিয়ে এসেছেন। গত বছর ফোবানা সম্মেলন বিষয়ে অনভিপ্রেত কোন কিছু ঘটে থাকলে তা এবছর যে পুনরাবৃত্তি হবে, তার কোন মানে নে। গত বছর যারা পাল্টা ফোবানার আয়োজন করে অভ্যাগতদের বিনা মূল্যে খাবার সরবরাহ এবং কনসার্টের ব্যাবস্থা করেছিল তারা প্রশংসিত হয়নি। আপনি নিজেও হয়তো সেটা অপছন্দ করেছেন। আমাদে বাক স্বাধীনতা আছে এবং জনগণ সেই স্বাধীনতাটুকু ব্যবহার করে। আমাদের সবারই পরস্পরের ভিন্ন মতামতকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে। কিন্তু কিছু লোক তা ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে না। এরকম আগে হয়েছে এবং সামনেও হবে। সেজন্য হতাশ হবেন না, বরং আপনার যেটাই ভালো লাগে তাকেই সমর্থন করুন।  

- সানি, ডালাস

এপ্রিল ১৫, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

সাধারণ জনগণের মধ্যে ফোবানা সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পাওয়া যায়। বিশেষ করে গত বছরের ঘটনার পর যেখানে ডালাসেই একই সাথে দুটি ফোবানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেই সাথে আরেকটি বড় অনুষ্ঠান যেখানে অভ্যাগতদের বিনামূল্যে তাজা এবং রান্না করা গো-মাংস দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়েছিল। এতেই ফোবানা সম্মেলনের সাথে যুক্ত আয়োজকদের মনোভাব বোঝা যায়। আমার জানা নেই আমরা কবে সভ্য হব, অন্তত এই প্রবাসে। বাংলাদেশে বসে সংগঠনের নামে যা কিছু করা হয়, তা যদিও বা হয়তো  ঠিক থাকে,  কিন্তু এই প্রবাসে যদি আমরা একই জিনিস দেখি তা হবে খুবই লজ্জাজনক।

- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

এপ্রিল ১৪, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

বার্কলেতে বাংলা পঠন পাঠন ও আমাদের করণীয় : আশফাক স্বপন

বার্কলের এই গুরূত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানটিকে তুলে ধরার জন্য আমি জনাব আশফাক স্বপনকে ধন্যবাদ জানাই। আমার ধারণা আমরা সবাই এর থেকেও বেশী কিছু করতে পারি। আমি এই প্রোগ্রামটিকে সামান্য সহায়তা করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এই ব্যাপারটি জনাব স্বপন তার লেখায় তুলে ধরেছেন এটা তার বদান্যতা। লেখাটিতে বলা হয়েছে যে শেভরন ৫০০০০ ডলার সহায়তা করেছে। আর আমি এই মাত্র ২০০৯ এর জন্য আরো ২৫০০০ ডলারের অনুমতিপত্র পেলাম। আমি সকলকে আপনাদের নিজেদের কোম্পানীর সাথে এই প্রোগ্রামটিকে সহায়তা করার জন্য আলাপ করতে অনুরোধ করছি। আপনারা হয়তো অবাক হবেন জেনে যে অনেক কোম্পানীরই এরকম ডাইভার্স শিক্ষা প্রোগ্রামে সহায়তা করার অভিপ্রায় থাকে। এবং তা যদি ইউসি বার্কলের মতো কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে হয় তাহলে আরো গুরুত্ব পায়। আপনাদের মধ্যে কারো যদি এ ব্যাপারে আগ্রহ থাকে আমি সানন্দে আপনাদের এ বিষয়ে সাহায্য করতে পারি।

- আহমেদ বদরুজ্জামান

 মে ২, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

 শিল্প-সংস্কৃতি

 

সাউদ চৌধুরীর সিডি আমি যে গান গাই : ওয়াহিদা রশীদ তনু

এটা সত্যিই সাধারণের জন্য দারুন একটা সুযোগ শিল্পীকে এবং তার কন্ঠের সাথে পরিচিত হবার। সউদ আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমি ভবিষ্যতে আর থেকে আরো অনেক সিডি আশা করি।

- আহমেদ হেলালুজ্জামান

এপ্রিল ২৩, ২০০৯ 

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

 

এটা সত্যি যে সউদ চৌধুরীর গানের সিডি  শোনার পর আমার মনে হয়েছে বেশ তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল। সউদ ভাই, আমরা আরো চাই, মন ভরেনি এখনো।

- নীলা হক

এপ্রিল ২১, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

কৌতুক

 

খুব সুন্দর হয়েছে অন লাইন পড়শীআপনাদের জানাই অভিনন্দনআশা করি নিয়মিত বাংলাদেশ ও বিশ্বের সামাজিক প্রগতিতে আপনারা আলোর দিশারী হয়ে ভূমিকা রাখবেন।। শুভ কামনায়

- খোরশেদুল ইসলাম, প্রগ্রেসিভ ফোরাম,ইউ এস এ ইনক নিউ ইয়র্ক

এপ্রিল ২১, ২০০৯

 

নতুন লেখা দেখে ভাল লাগলো

- নাম লেখেন নি

এপ্রিল ১৪, ২০০৯

 

কার্টুন

 

এটা হাসিনার একটি যথার্থ অনুকরণ। ডিজিটাল বাংলাদেশ।

মুশফি

মে ১, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

বেশ বেশ। পরেরটির জন্য অপেক্ষা করছি।

- নাম লেখেন নি

এপ্রিল ২৭, ২০০৯

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

ভাল প্রচেষ্টা। পরেরটির অপেক্ষায়।

- নাম লেখেন নি

এপ্রিল ২১

(ইংরেজী থেকে ভাবানুবাদ)

 

সুন্দর কার্টুন

- সারোয়ার

এপ্রিল ১৩, ২০০৯

 

ক্রীড়া

 

ক্রীড়াঙ্গনের কড়চা : জহিরুল ইসলাম নাদিম

 

পড়শীতে খেলাধূলার উপর আরো নিবন্ধ দেখতে চাই।

- অনন

এপ্রিল ১৯, ২০০৯

 

মন্তব্য:
salma Ali   May 16, 2009
It is really good to have our known poet's poems here who are living away but still contributing to the main stream Bangla. Thanks Porshi group of editors. Good Luck with the on line Porshi.
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.