Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  নিয়মিত কলাম  ||  ৯ম বর্ষ ৩য় সংখ্যা আষাঢ় ১৪১৬ •  9th  year  3rd  issue  Jun-Jul  2009 পুরনো সংখ্যা
রাজনীতিতে রাহুল, বরুণ,তারেক, জয় প্রসঙ্গ Download PDF version
 

নিয়মিত কলাম

দূরের জানালা,কাছের মানুষ :

রাজনীতিতে রাহুল, বরুণ,তারেক, জয় প্রসঙ্গ

অনিরুদ্ধ আহমেদ

 

এক.

উত্তরাধিকারের রাজনীতি প্রায়শই সমালোচনার মুখোমুখি হয় এবং এই রাজনীতি যে মূলত গণতন্ত্রের বিপরীতে এক ধরণের পরিবারতন্ত্রের প্রথা সৃষ্টি করে , সেটিই তখন আলোচনার মুল বিষয় হয়ে দাঁড়ায় তবে এ কথাও সত্যি যে বিশ্বের উন্নত, উন্নয়নশীল নানান দেশে এই উত্তরাধিকারের  রাজনীতির প্রকাশ্য প্রবণতা লক্ষ্য করেছি আমরাবিশেষতঃ দক্ষিণ এশিয়ার অন্ততঃ চারটি দেশ  ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় এই উত্তরাধিকারের রাজনীতি বিষয়টা নতুন কিছুই নয়এখানে উত্তরাধিকারের রাজনীতি যেমন প্রশংসিত হয়েছে কোন কোন ক্ষেত্রে , তেমনি পরিবারতন্ত্র বলে সমালোচিত হয়েছে বহু ক্ষেত্রে আবার এই উত্তরাধিকারের রাজনীতি কখনও এসছে পরিকল্পিত পুর্বপ্রস্তুতিসহ , আবার কখনও এসছে আংশিক প্রস্তুতিসহ , আবার কখনও বা এসছে অপ্রস্তুত অবস্থায়যেমন ভারতের ক্ষেত্রে বলা যায় ইন্দিরা গান্ধিকে রাজনীতিতে প্রশিক্ষিত করেছেন তাঁর বাবা পন্ডিত জওহারলাল নেহরুঅন্যদিকে রাজিব গান্ধি নিতান্তই অপ্রস্তুত অবস্থায় রাজনীতির শীর্ষে এসেছিলেন মাত্র চল্লিশ বছর বয়সেপন্ডিত নেহরুর মতোই , পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টো ও তাঁর কন্যাকে রাজনীতিতে সিদ্ধহস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন তবে সেই প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হবার আগেই ভুট্টো ক্ষমতাচ্যুত হলেন এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যার ষড়যন্ত্রের দায়ে জুলফিকার আলী ভুট্টোকে  ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হল বেশ পরে দুই বার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন বেনজির ভুট্টোরাজিব গান্ধির মতোই অপেক্ষাকৃত অপ্রস্তুত অবস্থায় বাংলাদেশে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া রাজনীতির শীর্ষ  আসনে আসেনবিশেষতঃ খালেদা জিয়া একেবারে আনকোরা গৃহবধুর অবস্থা থেকে দ্রুতই চলে আসেন রাজনীতির মাঠেতবে  রাজীবের মতো বেনজির, হাসিনা ও খালেদার রাজনীতিতে আসা ততখানি নির্বিবাদ ছিল নাতাদেরকে বার বার প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করতে হয়েছেহাসিনা ও খালেদা স্বৈরশাসক এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন এবং বেনজিরকে অপেক্ষা করতে হয়েছে অপর স্বৈরশাসক  জিয়াউল হকের মৃত্যু পর্যন্ত আবার রাজিব ও বেনজিরের মধ্যে সব চেয়ে বড় মিলটা হচ্ছে এই দুজনই আততায়ীর হাতে নিহত হয়েছেন অকস্মাৎ, যেমন হয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধিও

দুই.

এই যে উত্তরাধিকার সুত্রে যাঁরা রাজনীতিতে আসেন কিংবা যাঁদের আনানো হয় তাঁদের আসার কারণ ভিন্ন ভিন্নকেউ কেউ নিজেদের আগ্রহেই রাজনীতিতে চলে আসেন স্বতঃস্ফুর্ততার সঙ্গে, যেমন এসছিলেন ইন্দিরা গান্ধি কিংবা বেনজির ভুট্টো অথবা প্রায় আসি আসি করছেন রাজিবপুত্র রাহুল গান্ধিআর কেউ কেউ আসেন দলের সংহতি রক্ষা করার জন্যেই  যেমন এসেছেন শেখ হাসিনা কিংবা খালেদা জিয়া বাংলাদেশেশেখ হাসিনা যদিও ছাত্রী থাকার সময়ে রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন এবং বাংলাদেশের ইতিহাস নির্মাণের প্রক্রিয়া দেখেছেন খুব কাছ থেকে কিন্তু তিনি বোধ করি প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে জড়াতেন না বঙ্গবন্ধু নিহত না হলে১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৮১ সালের গোড়া পর্যন্ত আওয়ামি লীগের মধ্যে বিভেদ ও বিভাজনের ইতিহাস যারা প্রত্যক্ষ করেছেন, আওয়ামি লীগের সেই তখনকার বন্ধনীর যুগ সেই বড় দলকেও ক্ষুদ্র করে তুলেছিল অনেকখানি বাকশালের কথা না হয় বাদই দেওয়া হলো , মিজান ও মালিক ঊকিলের মধ্যে বিভাজিত ছিল আওয়ামি লীগ আওয়ামি লীগের এই খন্ডন ও বিভাজন রোধ কল্পে যে ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত হবার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি হচ্ছেন , ড. কামাল হোসেনশেখ হাসিনার রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ঘটনার পর থেকে আওয়ামি লীগের ভেতরকার কোন্দল এর সমাপ্তি ঘটেঠিক তেমনি, জেনারেল জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর , বিচারপতি আব্দুস সাত্তার প্রথম দিকে হাল ধরেছিলেন ঠিকই কিন্তু পরে তিনি আর সামাল দিতে পারেননি আওয়ামি লীগের মতো বিএনপি-তে জেষ্ঠ নেতৃত্ব ছিলেন বটে কিন্তু এরা কেউই জিয়াউর রহমানের সঙ্গে নিজেদের তেমন ভাবে সম্পৃক্ত করতে পারেননি, যেমনটি পেরেছেন খালেদা জিয়ালক্ষ্য করার বিষয় যে ইন্দিরা গান্ধি যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীত্ব গ্রহণ করেন, তখন কংগ্রেস পার্টিতেও বয়োজেষ্ঠ অনেক নেতাই ছিলেনকামরাজ কিংবা মোরারজি দেশাইয়ের মতো নেতারা এক সময়ে বেরিয়ে পড়লেন দল থেকে কিন্ত ইন্দিরার নেতৃত্বে কংগ্রেসের অগ্রগতি রুদ্ধ হয়নি কখনইবেনজির ভুট্টোর দলের নেতৃত্ব গ্রহণের পেছনে তাঁর নিজের আগ্রহের সঙ্গে দলীয় একতা বজায় রাখার একটা তাড়নাও ছিলবেনজিরের অকস্মাৎ মৃত্যুর পর তাঁর অতি তরুণ পুত্রের নেতৃত্ব গ্রহণ এবং বাহ্যত পুত্রের নাবালকত্বের কারণ দর্শিয়ে দল ও দেশের নেতৃত্বে চলে আসার যে আরেক দৃষ্টান্ত তৈরি করলেন আসিফ আলী জারদারি, সেখানে অবশ্য দলীয় ঐক্যের প্রশ্নের চাইতে বড় প্রশ্ন ছিল বেনজির সমর্থকদের তাৎক্ষণিক আবেগকে মুলধনে পরিণত করে, নিজের উচ্চাশা পূরণ করাতবে একথা ঠিক যে সব ক্ষেত্রে উপমহাদেশের নেতা নেত্রীরা অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যু বরণ করেছেন, সে সব ক্ষেত্রে তাঁদের উত্তরাধিকারীরা সেই আবেগকে কখনও নিজের স্বার্থে কখনও বা দলের এবং দলীয় ভোটের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন

তিন.

উত্তরাধিকারের রাজনীতির এই প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে হয়ত প্রশ্ন উঠবে যে দেশ এ কারণে যোগ্যতর নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তবে এর বিপরীত যুক্তিটাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয় যে এঁরা সকলেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েই ক্ষমতায় এসছেনসংখ্যাগত বিবেচনা আর গুণগত বিবেচনা যে পরস্পরের অনুগামি হয় না কখনই সে কথা মেনে নিয়েও বলা যায় যে গণতন্ত্রই হচ্ছে একমাত্র শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি যার মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি বাছাই করেউত্তরাধিকারের রাজনীতির সঙ্গে নীতি ও যোগ্যতার যে  উপাদান সেটার সংযোগ সকল সময়ে ঘটে নাপ্রকৃত বিপত্তিটা হয় তখনইতবে উত্তরাধিকারের রাজনীতি বা রাজনীতির উত্তরাধিকার নিয়ে যারা ঢালাও সমালোচনা করেন আমি তাদের সঙ্গে সহমত পোষণ করিনা সহজেইএর কারণ হচ্ছে রাজনীতির আঙ্গিনায় গ্রহণযোগ্যতার একটা প্রধান মাপকাঠি হচ্ছে গণসমর্থন জনগণ যদি পূর্বতন  কোন নেতা নেত্রীর আত্মীয়কে সমর্থন করেন এবং তিনি যদি সে রকম জনপ্রিয়তা রক্ষায় সমর্থ হন, তা হলে এ নিয়ে আপত্তি করার আপাত দৃষ্টিতে তেমন কোন যুক্তি নেইতবে এটাও মনে রাখা প্রয়োজন যে এই জনপ্রিয়তাটি কি তরুণ নেতৃত্বের নিজ গুণে আহরিত নাকি সেটি পুর্ব পুরুষের কারণে প্রায়শই পুর্বসুরির নেতৃত্বের জনপ্রিয়তার কারণেই নতুন নেতৃত্ব জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং রাজনীতিতে তা কৌশলগত কারণে ব্যবহৃত হয়তবে সেই নেতৃত্ব যদি অভূত্থান এর মতো কোন প্রক্রিয়া দ্বারা আরোপিত না হয় এবং জনগণ যদি তা গ্রহণ করে তা হলে সেখানেও সমালোচনার কোন  অবকাশ থাকে নাবস্তুতঃ উত্তরাধিকার সুত্রে এই নতুন নেতৃত্ব আসবার দুটি প্রধান সদর্থক দিক হচ্ছে, তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে প্রগতিশীল অথচ অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সমাহার আর দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, দলীয় ঐক্য অটুট রাখাকিন্তু উত্তরাধিকারের নেতৃত্ব যদি গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অবলম্বন না করে, স্বৈরত্রান্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করে কিংবা সত্যিকার প্রগতিশীল কোন সত্যকে তুলে না ধরে, পশ্চাতমুখি কোন আদর্শকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে, তা হলে সে ধরণের তরুণ নেতৃত্ব তা উত্তরাধিকার সূত্রে হোক কিংবা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই হোক কখনই কাম্য নয়

চার.

ভারতে সঞ্জয় গান্ধির পুত্র বরুণ গান্ধি হচ্ছেন সেই ধরণের একজন উদীয়মান নেতা যিনি দেশকে হিন্দুত্বের দিকে নিয়ে যেতে চান , নিয়ে যেতে চান একেবারে পেছনে, সেই নের্তৃত্ব ভারতের জন্যে কাম্য হতে পারে নাসে জন্যেই ভারতের মানুষ বরুণ গান্ধিকে ব্যক্তিগত ভাবে বিজয়ী করলেও তিনি যে আদর্শের সমর্থক ছিলেন সেই আদর্শকে ভারতের জনগণ মেনে নেয়নি তারা অন্ধ হিন্দু

মৌলবাদের বদলে গ্রহন করেছে অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি তারুণ্য বরাবরই প্রগতিশীলতার পক্ষে থাকে তবে এ কথা ও সত্যি যে কোন কোন তারুণ্য বিভ্রান্ত হয় দারুণ যেমন হয়েছেন বরুণ গান্ধি, যিনি রাহুলের চাইতে ও তরুণ কিংবা বাংলাদেশে যেমন হয়েছিলেন তারেক রহমান মৌলবাদিদের সঙ্গে সখ্যতায় এতটাই এগিয়েছিলেন তারেক যে নির্দ্বিধায় তিনি বি এন পি ও জামায়াতে ইসলামিকে একই পরিবারের সদস্য বলে দাবি করলেন যেমন বরুণ গান্ধি ও হয়ে পড়লেন সংঘ পরিবারের সদস্যবরুণ ক্ষমতার স্বাদ এখনও পাননি , তারেক পেয়েছিলেন এবং তাঁর তরুণ সাঙ্গপাঙ্গরা প্রায় গোটা দেশটাকেই সাঙ্গ করেছিলেন

পাঁচ.

প্রথমেই আমি যে কথা বলছিলাম যে তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ প্রয়োজনসে নেতৃত্ব যদি বর্তমান কোন রাজনৈতিক নেতা নেত্রীর উত্তরসূরি হয়, তাতেও আমাদের আপত্তি  করা উচিৎ নয় যদি তিনি আসেন জনগণের রায়ের ফলাফল হিসেবেকিন্তু তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে থাকতে হবে দূরদৃষ্টি, দেশকে সামনে এগিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টা, যেমনটি আমরা দেখি রাহুল গান্ধির মধ্যেপ্রধানমন্ত্রীত্ব কিংবা মন্ত্রীত্বের চেয়ে দল গোছানোটা যে বড় কথা সে কথা রাহুল জানেন এবং মানেনওতারেক নিজেও অবশ্য দল গোছানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন কিন্তু সেই সঙ্গে তার আখের গুছিয়েছেন ইচ্ছে মতোতরুণ সব মন্ত্রীদের যে হত্যা ও হরিলুটের সুযোগ দেয়া হয়েছিল তার সদ্ব্যবহার করেছেন অনেকেইআসলে আমাদের জন্যে তারেক-বরুণরা পরিত্যাজ্য রাহুলরা গ্রহণযোগ্য , আরও একজন এখনও পুরোপুরি পাদপ্রদীপের আলোর মধ্যে আসেননি কিন্তু সাজঘরের প্রস্তুতি নিচেছন বলে শোনা যায়সেই সজীব ওয়াজেদ জয়ের সামনে চ্যালেঞ্জ অনেকখানিতিনি যে তারেকের চেয়ে ভিন্ন সে কথা প্রমাণ করার জন্যে তাঁর হার্ভাডের ছাত্র হওয়ার দরকার নেই, যদিও তিনি সে কথা বলেছিলেন ওয়াশিংটন ডিসির একটি অনুষ্ঠানে এবং সে জন্যে সমালোচিতও হয়েছেন অনেকের কাছে জয় যদি ক্রমশই দলের নেতৃত্বে চলে যান তাতে আপত্তি থাকবে না কোন তবে সে পথ যদি হয় তারেকের কিংবা বরুণ গান্ধির তা হলে তিনিও প্রচন্ড ভাবে সমালোচিত হতে পারেন, হতে পারেন পরিত্যক্তওরাহুল গান্ধি নানান প্রলোভন সত্বেও এখনও যে সরকারের অংশ হননি, এখনও যে দল সংগঠনে সাহায্য করছেন তাঁর মাকে সেটি প্রশংসনীয়কংগ্রেসের ভেতরে তাঁর সমালোচকরা বলতেই পারেন যে বস্তুত  মা-বেটাই দল চালাচ্ছেন এবং কথাটা একশ শতাংশ সত্য কিন্তু এই সমালোচনা অনেকখানি কমে আসে যখন দেখতে পাই যে সমস্ত সুযোগ সত্বেও রাহুল এখনও ক্ষমতার একেবারে কাছাকাছি থেকেও সরকারের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন নাএটি রাহুলের সেই ধরণের পরিপক্বতার নজির যে দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন সোনিয়া গান্ধি বিরোধীদের আপত্তির মুখে প্রধানমন্ত্রীত্ব পদ ত্যাগ করেএখন কেবল সময়ের অপেক্ষা কবে রাহুল হবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশে এই সুযোগ হারিয়েছেন তারেক রহমান আপাত মস্তক দূর্নীতি ও পশ্চাদপদ মৌলবাদে নিজেকে নিমজ্জিত করেসজিব ওয়াজেদ জয়ের কাছে সে সুযোগ আসতে পারে অত্যন্ত বিচক্ষণতা, বিনয় এবং দক্ষতার সঙ্গে এবং দেশের স্বার্থে, দেশের আধুনিকায়নের লক্ষে তিনি যদি সে বিষয়ে প্রতিশ্রুতিপুর্ণ হন তা হলেই কেবল নতুন ও নেতৃত্বের স্বপ্ন পুরণে তিনি সমর্থ হবেন, নইলে বাংলাদেশ আবার একই আবর্তে ঘুরবে বার বার

অনিরুদ্ধ আহমেদ:  যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাংবাদিক ও নিবন্ধকার
aauniruddho@gmail.com

 

মন্তব্য:
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.