Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  মূল রচনাবলীঃ  ||  ৯ম বর্ষ ৩য় সংখ্যা আষাঢ় ১৪১৬ •  9th  year  3rd  issue  Jun-Jul  2009 পুরনো সংখ্যা
প্রথম বঙ্গ সম্মেলন ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা Download PDF version
 

বঙ্গ সম্মেলন ও ফোবানা সম্মেলন

প্রথম বঙ্গ সম্মেলন ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা

রণজিৎ কুমার দত্ত

আমাদের CAB (Cultural Association of Bengal এর আদ্যক্ষর) বা বঙ্গীয় সংস্কৃতি সংঘ স্থাপিত হয় ১৯৭১ সালে। তারপরে অনেক কিছু কাজ করার পরে আমাদের মনে হল যে আমাদের এখানে যে বাঙালি ছেলেমেয়েরা অনেক কিছু শিখছে, বাংলা পড়ছে, নাচ গান শিখছে তার একটা প্রদর্শনী হোক বছরে একবার। আমেরিকার বিভিন্ন শহর থেকে ছেলেমেয়েরা এসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে কি শিখছে, তারা আমাদের দেখাক, আমরা খুশি হই। এটাই ছিল আমাদের NABC – North American Bengali Conference এর উদ্দেশ্য। এইভাবে আরম্ভ হল ১৯৮১ সালে।

আমাদের আগে ভারতীয় অভিবাসীদের একটা কি দুটো সংস্থা এরকম ব্যাপকভাবে সম্মেলন করত। তেলুগুভাষী আর সম্ভবত তামিলভাষী গোষ্ঠী আমাদের আগে সম্মেলনের আয়োজন করে। ওরা আগে আমেরিকাব্যাপী সম্মেলন করেছিল, তারপর আমরা আরম্ভ করেছিলাম। প্রথম তিন বছর আমাদের নিউ ইয়র্কেই হল। আমরা স্কুল ভাড়া করে অনুষ্ঠান করতাম।

প্রথমবার লোকজন হয়েছিল ৮০ জনের মত। Queens এর PS 108 স্কুলে আমরা অনুষ্ঠান করি। সম্ভবত Woodside-এর দিকে। সে সময় শিল্পীদের ডাকা হত না। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল আমাদের ছেলেমেয়েরা, আমাদের বড়রা এখানে যা শিখছে বা যা করছে, বিভিন্ন শহরে বছরে একদিন একটা কেন্দ্রীয় কোন জায়গায় তার একটা প্রদর্শনী করবে। এটাই ছিল আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। আরেকটা উদ্দেশ্য ছিল এইখানে যারা বাংলা ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য নিয়ে কাজ কর্ম করছেন, তাদের সম্মান দেওয়া। সেখানে একটা শর্ত ছিল একজন অন্তত আমেরিকান হওয়া চাই। প্রথমবার নিউ ইয়র্কেরই সিরাকুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মান বংশোদ্ভত পণ্ডিত অগেহানন্দ ভারতীকে সম্মাননা দেওয়া হয়। অগেহানন্দের জন্ম ১৯২৩ সালে ভিয়েনায়। বাবা মায়ের দেওয়া নাম লিওপল্ড ফিশার। সংস্কৃত, নৃতত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব ও তুলনামলক দর্শনে সুপণ্ডিত ছিলেন।

বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যারা এসেছিলেন, কেউ গান গাইলেন, কেউ নাটক করলেন, কেউ সাহিত্য বিষয়ে আলোচনা করলেন, কবিতা পাঠ করলেন। আমার তো মনে হয় প্রথম বছর এই ছিল। প্রথম বছর রাজ্যের বাইরে থেকে কুড়ি জনের মত এসেছিলেন, আমার যতদর মনে পড়ে।

আমাদের ভাল লেগেছিল প্রথম সম্মেলন করে। সবাই বলেছিল একটা নতুন কিছু হচ্ছে। আমেরিকার বিভিন্ন জায়গা থেকে নতুন লোকজন আসছে। তাদের আমরা রাখার বন্দোবস্ত করেছিলাম। আপনার বাড়িতে, আমার বাড়িতে, আরেকজনের বাড়িতে। তখন হোটেলের ব্যবস্থা করা হয়নি।

প্রথম তিন বছর হল এখানে। তারপর বস্টন বলল আমরা করব। আমরা বললাম, ঠিক আছে ভাল কথা, সবাইকে নিয়ে কাজ করা তো ভাল কথা। বস্টনে হল। তারপর হল বালটিমোরে। তারপর হল ক্লিভল্যান্ডে। তখন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা হল। তখন আর বাড়ি বাড়ি আমরা অতিথিদের রাখতাম না। বিভিন্ন শহর থেকে আসত সবাই, কেউ গানের আসর করছে, কেউ কবিতার আসর করছে। প্রথম এক দিনের অনুষ্ঠান হয়েছে কয়েক বছর, পরে দুদিনের অনুষ্ঠান হল, তারপর আরম্ভ হল তিন দিনের অনুষ্ঠান।

আমরা এই সম্মেলনকে বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দিয়েছি। যেসব শহর আমাদের বলে যে, হ্যা, আমরা সম্মেলন করতে উৎসুক, আমরা তাদের জিজ্ঞেস করি: তোমাদের জনবল কি রকম আছে? তোমাদের টাকাপয়সার সঙ্গতি কি রকম আছে, কেমন লোক অংশগ্রহণ করবে? তিন বছর আগে থেকেই আলোচনা আরম্ভ হয়। CAB হল NABC-এর প্রতিষ্ঠাতা। এই ধরুন এখন একবার যখন ঠিক হয়ে গেছে ক্যালিফোর্নিয়ায় হবে, এখন অধিকাংশ সিদ্ধান্ত স্থানীয় উদ্যোক্তাদের। কলকাতা বা ঢাকা থেকে কাকে আনবেন, সেই সিদ্ধান্ত এখন আপনাদের। সম্মাননাও এখন দুই ভাগ হয়ে গেছে। একটা মূল সংস্থা CAB দিচ্ছে আরেকটা দিচ্ছে স্থানীয় উদ্যোক্তা সংস্থা।

সেবার যখন প্রথম আমরা বঙ্গ সম্মেলন করি, আমাদের নজর ছিল একটা বিষয়ের ওপর আমাদের ছেলে মেয়েরা বাংলায় পিছিয়ে পড়ছে বা বাংলা আকড়ে ধরে রাখছে, তাদের কিভাবে উৎসাহিত কর যায়। এছাড়াও আমাদের common কি অসুবিধা হচ্ছে, সেটা নিয়ে আমরা চিন্তা ভাবনা করতাম। আমাদের আরেকটা যেটা সিদ্ধান্ত ছিল, সেটা হচ্ছে আমরা যারা বাংলাদেশ থেকে এসেছি বা পশ্চিম বঙ্গ থেকে এসেছি তাদের ওখানে কি হল না হল, ওখানকার কি সমস্যা, সেটা ভাবার বিষয় না। সেসব ওখানকার লোকে ভাববেন। আমরা বিদেশে এসে গেছি, আমাদের এই অঞ্চলে, ক্যানাডায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কি অসুবিধা হচ্ছে, তাই নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে হবে। পরবর্তীতে দেখা গেল, কিছু লোক বলছে যে আমরা দেশ থেকে চলে এসেছি, কিন্তু দেশের জন্য কিছু করব। তারা দেশে কি শিল্প হচ্ছে, কি বিনিয়োগ হচ্ছে ইত্যাদি নিয়ে সেমিনার করতে আরম্ভ করল।

আমার মতে এসব কোন কাজের কথা নয়। আমরা কি করতে পারব? আরসেনিক তাড়াবার জন্য দুটো টিউব ওয়েল বসাবার জন্য টাকা দিতে পারি, হয়ত ২৫টা ছেলের পড়াশোনার জন্য বৃত্তি দিতে পারি। এর চেয়ে বেশি আমরা কিছু করতে পারব না। আজকাল বঙ্গ সম্মেলনের কর্মকর্তারা দেখে কলকাতা বা ঢাকা থেকে যদি একটা গৃহনির্মাণ সংস্থাকে ডাকা হয়, তারা কিছু টাকা দেয়, দু চারজন শিল্পীকে দেশ থেকে নিয়ে আসা যায়।

ফলে যেটা দাড়িয়েছে, এইখানকার শিল্পীরা, আমাদের বাচ্চা ছেলেমেয়েরা, একটু অবহেলিত হচ্ছে। যে উদ্দেশ্যে বঙ্গ সম্মেলন শুরু হয়েছিল, সেটা থেকে আয়োজকরা সরে এসেছে। ওদের কথা হচ্ছে আজকে যদি রুনা লায়লাকে না আনি, কি সুচিত্রা মিত্রকে না আনি, লোক হবে না, টিকিট বিক্রি হবে না। পুরো অনুষ্ঠানটার একটা বাণিজ্যিক চেহারা এসে গেছে। আর সাহিত্য আলোচনায় লোকতো কমই হয়।

CAB তৈরী হয়েছিল দুই বাংলার এবং আমাদের আমেরিকা আর ক্যানাডার দিকে লক্ষ্য রেখে। এই চার দেশে যারা বাংলা ভাষা জানেন বা বাংলা ভাষা সম্বন্ধে উৎসুক তাদের নিয়েই সম্মেলন। এত বছর পরে দেখা গেল যে Berlin Wall-এর চেয়েও আমাদের বিভাগটা শক্ত। সেটাও আমার একটা অনুতাপ। এই সম্মেলনে যেহেতু আমরা চারটা দেশকে যুক্ত করি, আমরা চারটা দেশের পতাকা তুলে জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করি। অন্তত সেই চেতনাটা এখনও আছে। যদিও NABC-তে বাংলাদেশ থেকে ৪জন কি ৫ জন শিল্পী আনা হয়।

আমাদের সম্মেলনের ৭-৮ বছর পর বাংলাদেশীদের যে এতগুলো সংগঠন আছে তাদের খেয়াল হল আমাদেরও একটা বার্ষিক সম্মেলন করা উচিৎ। তারা ওয়াশিংটন ডিসি তে আরম্ভ করল প্রথম সম্মেলন ৯০ দশকের গোড়ার দিকে। আমাকে ডেকেছিল, আমি গিয়েছিলাম। ওরা ভাল জায়গা পেয়েছিল বিশ্ব ব্যাংকের মিলনায়তন। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, এখানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, অবসরপ্রাপ্ত কটনীতিবিদরা এসেছিলেন, ভাল আলোচনা হয়েছিল দেশের উন্নতি সম্বন্ধে।

তারপর একটা গণ্ডগোল আরম্ভ হল। বঙ্গ সম্মেলন, পুরোটাই আরম্ভ হল ইংরেজিতে। একদল, আমাদের নিউ ইর্য়কের, যারা খেটে খান, তারা বলল বঙ্গ সম্মেলন ইংরেজিতে কেন? আরেক দল বলল ইংরেজিতে না বুঝলে চলে যান। দুই দলে মারামারি আরম্ভ হয়ে গেল। তারপর আমরা কয়েকজন মধ্যস্থ থেকে নিউ ইয়র্ক থেকে যারা এসেছে, তারা নতুন এসেছে, ইংরেজিতে দখল ততটা নেই, তাদের বললাম, তোমরা ঝগড়াঝাটি করছ, মারামারি করছ, আমাদের বদনাম হয়, যাও, তোমরা নিউ ইর্য়কে ফিরে যাও। তোমরা সম্মেলনে ঢুকতে পারবে না। তখন আমাদের সেই রকম একটা মানসিক শক্তি ছিল, আমরা ওদের পাঠিয়ে দিলাম, বললাম তোমাদের দাবি ঠিকই, কিন্তু গণ্ডগোল করো না। এখন তো বাংলাদেশীদের একাধিক সম্মেলন হয়। এই বছর তিনটা, গত বছরও তিনটা। এইখানে আমরা যারা প্রাচীন আছি তারা কোন সম্মেলনেই যাই না। বলে দিয়েছি, তোমরা এক না করতে পারলে আমরা যাব না।

আমার মতে NABC বঙ্গ সম্মেলনেরও আদর্শচ্যুতি হয়েছে। আমরা আদর্শের থেকে সরে এসেছি। এখন দেশের মেলা হচ্ছে। আমিতো বলি কলকাতার মেলা। কলকাতায় গিয়ে দেখার চেয়ে এক সঙ্গে কলকাতার থেকে লোক এনে আমরা এখানে দেখছি। ঢাকার থেকে লোক এনে আমরা এখানে দেখছি।

বঙ্গ সম্মেলন নিয়ে গর্ব করতে হিয়ে আমরা যেন ভলে না যাই, এদেশে পশ্চিম বঙ্গের বাঙালিদের ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার বৃহত্তর চিত্রটি খুবই হতাশাজনক। অন্তত নিউ ইয়র্কে বসে সেরকমই মনে হয়। দীর্ঘ ৪৫ বছর নিউ ইয়র্কে থাকি, এই শহরে অন্তত ১৫টা সাপ্তাহিক বাংলা কাগজ বের হয়, তার সব  কটাই বাংলাদেশী মালিকানায়। সেই পত্রিকার মান প্রশ্নাতীত নয় আমি মানি, কিন্তু আমি বাংলাদেশী সংবাদপত্র প্রকাশকদের বিশেষভাবে শ্রদ্ধা জানাই এই দেশে বাংলা ভাষার আলো ছড়িয়ে দেবার জন্য।

নিউ ইয়র্ক শহরে পাঁচ বরোতে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে পশ্চিম বঙ্গের বাঙালিদের অনুপস্থিতি চোখে পড়ার মত। বাংলাদেশী বাঙালিদের পরিচালনায় প্রতি সপ্তাহে ২-৩টি খুব ভাল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। পশ্চিম বঙ্গের বাঙালিদের পরিচালনায় বছরে একটি রবীন্দ্র-নজরুল-বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হয় মে মাসে।

অথচ এমনতো সব সময় ছিল না। ষাট বা সত্তর দশকে পশ্চিম বঙ্গের বাঙালিরাই নাটক করতেন, বাংলাদেশী বাঙালিরা যোগ দিতেন। CAB আমেরিকাতে প্রথম আমাদের শিশুদের জন্য বাংলা স্কুল খুলেছিল ১৯৭২ সালে। এক সময নিউ ইয়র্কের কয়েকটা বরোতে ৪-৫টা বাংলা স্কুল চালু ছিল। ১৯৭২ সালে CAB প্রথম বাংলা পাঠাগার চালু করে। ১৯৭২-৮৮ সালের মধ্যে CAB পশ্চিম বঙ্গে ও বাংলাদেশে প্রকাশিত বাংলা বই কলকাতা ও ঢাকা থেকে এনে সংগ্রহ গড়ে তোলে। এক সময় ১০,০০০ বাংলা বই সংগৃহীত হয়েছিল।

আজ পশ্চি বঙ্গীয় ছোট নাটক গোষ্ঠীর তৎপরতা দেখি না। অথচ ৬-৭টি বাংলাদেশী নাট্য গোষ্ঠী নাটক করছেন প্রচুর, এমনকি কখনও কখনও অফ-ব্রডওয়েতেও। শুধু চর্চা নাট্যগোষ্ঠী দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান করেন। CAB-এর পাক্ষিক কাগজটা শুনেছি আর আমেরিকায় সম্পাদিত হয় না, কলকাতার একটা বাণিজ্য সংস্থা সেটা কলকাতায় সম্পাদনা করে ইন্টারনেটে পাঠায় এখানে ছাপাবার জন্য, আর বিনিময়ে ঐ সংস্থা বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দেয়। CAB-এর তিনটি স্তম্ভ ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা, অলাভজনকতা ও রাজনীতি নিরপেক্ষতা। এর কোনটাই আর অটুট নেই, সেটা বড় আক্ষেপের বিষয়।

মিলিয়ন ডলার খর করে পশ্চিম বাংলার বাঙালিরা উত্তর আমেরিকায় বছরে একবার NABC ওরফে নর্থ আমেরিকা বম্বে কালচার করেন, অথচ তাদের কোন বাংলা সাপ্তাহিক কাগজ নেই বলে কোন অভাব বোধ করেন না, তাঁদের আত্মসম্মানেও লাগে না!

কারো মনে আঘাত দেওয়া আমার উদ্দেশ্য নয়। বার্ধক্য, নিজের ব্যর্থতা ও সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলোর বিপথগামিতায় নিজের হতাশা আর ক্ষোভ প্রকাশ করলাম, পাঠক অপরাধ নেবেন না। রূঢ় হলেও কিছু সত্যি কথা উচ্চারণ করলাম এই আশায়, কে জানে, হয়ত এতে আমাদের কারও বোধোদয় হতে পারে।

________________

রণজিৎ কুমার দত্ত-এর জন্ম বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জে। ছেলেবেলা কেটেছে সিলেটের হবিগঞ্জে। কলকাতায় এসে কলেজ পাশ করেন। পড়াশোনার পর ফুলব্রাইট বৃত্তি নিয়ে ১৯৬৫ সালে আমেরিকা আসার পর নিউ ইয়র্কে আছেন ৪৫ বছর। এখনো সপ্তাহে দুটো করে বাংলায় কলাম লেখেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে পশ্চিম গোলার্ধে নিজ হাতে লিখে ও ফোটোকপি করে প্রথম বাংলা সংবাদ সাহিত্য পত্রিকা সংবাদ বিচিত্রা প্রকাশ, একই বছর দুই বাংলার মিলিত সংগঠন ও পশ্চিম গোলার্ধের প্রথম বাঙালি সংস্থা বঙ্গ সংস্কৃতি সংঘ (Cultural Association of Bengal) স্থাপন ও ১৯৮১ সালে উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলনের সূচনার জন্য ২০০৮ সালে টরোন্টোতে অনুষ্ঠিত উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলনে রণজিৎ ত্তকে Lifetime Achievement Award দিয়ে সন্মানিত করে

 

পেলহ্যাম, নিউ ইয়র্ক

৩০ মে, ২০০৯

 

মন্তব্য:
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.