Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  নিয়মিত কলাম  ||  ৯ম বর্ষ ১০ম সংখ্যা মাঘ ১৪১৬ •  9th  year  10th  issue  Jan - Feb  2010 পুরনো সংখ্যা
মীরযাফর থেকে মুজিব Download PDF version
 

নিয়মিত কলাম

 

 

ওয়াশিংটনের জানালা

 

 

মীযাফর থেকে মুজিব

 

ওয়াহেদ হোসেনী

 

  ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘When Spirits Roar’ ছবি প্রদর্শনী দেখে বাড়ী ফিরলাম। শূন্য বাড়ীতে ঢুকেই নিজের অজান্তে টিভিটা খুলে দিলাম। টিভির পর্দায় ফুটে উঠলো আনন্দময় এক দৃশ্য। এক সমুদ্র সৈকতে বছর দুয়েকের এক খুকুমনি খিলখল করে হেসে দৌড়ে পালাচ্ছে, আর পেছন পেছন পিতা ছুটছেন এই ভান করে যে তিনি কিছুতেই তাকে ধরতে পারছেন না। পিতা কন্যার খেলার এক মনোরম দৃশ্য। হয়তো কোন প্রডাক্টের সেলস পিচ। আমার মন খারাপ হয়ে এলো। এখুনি আসলাম একটি প্রদর্শনী থেকে। চার মাসের শিশুর একটি রঙ্গিন জামার ছবি। ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে খুলনা জেলায় পাক বাহিনী যায় এক যুবক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম খানকে ধরতে। তাকে না পেয়ে, বাড়ীর ভেতর থেকে তার চার মাসের শিশূ কন্যা রেহানাকে তুলে এনে আছড়ে ফেলে উঠানে। তারপর পায়ের বুটের আঘাতে আঘাতে থেতলে ফুলের মত শিশু কন্যার ভবলীলা শেষ করে দেয়। চোখে না দেখেও হৃদয়ঙ্গম করতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হচ্ছে না মনে মনে সেই পৈশাচিক দৃশ্যটি। বিজয়ের পরে বাড়ি ফিরে সালাম খান রেহানাকে দেখতে না পেলেও পেয়েছিলেন রেহানার তখনকার পরা রংগিন জামা। শুকনো রক্তমাখা জামাটা বুকে করে সালাম কতক্ষ কেঁদেছিলেন ইতিহাস তা লিখে রাখেনি। হয়তো ইতিহাস রেহানাকেও মনে রাখতোনা যদি সালাম সেই জামাটা ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে দান না করতেন। এখন হাজার হাজার মানুষ জামাটার সামনে এসে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন কমুহূর্ত। হয়তো মনে মনে রেহানার আত্মার শান্তি কামনা করেন।

   সকাল বেলা কম্পুটারের সামনে বসে পুরন ইমেইলগুলো ডিলিট করছিলাম। একটা ইমেইলে এসে থেমে গেলাম। বাংলাদেশ দূতাবাসের পলিটিক্যাল মিনিষ্টার শামীম আহসান একটা ইমেইল পাঠিয়েছেন। বিজয় দিবসের দিন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর-এর কিছু ছবি দিয়ে যে প্রদর্শনী শুরু হয়, জনপ্রিয়তার কারণে তার শেষ তারিখ একত্রি ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আহসান সাহেবকে ইমেইল করলাম, আমি আজ প্রদর্শনী দেখতে আসবো। আপনার সময় হলে দেখা হবে। থ্রী নাইন্টী ফাইভ দিয়ে এগিয়ে, পোটোম্যাক নদী পার হোয়ে ডিসি-তে ঢুকে, হোওয়াইট হাউস ডাইনে রেখে, কানেটিকাট এভিন্যু দিয়ে উত্তর দিকে চলতে চলতে ভেননাসে বাঁয়ে ঘুরে ইন্টারন্যাশানাল ড্রাইভের ওপর বাংলাদেশ দতাবাসে এসে পৌছালাম তখন বেলা  সাড়ে এগারোটা। অবাঙ্গালী তরুণী রিসেপশনিষ্টকে আমার পরিচয় দিয়ে বললাম, আমি ‘When Spirits Roar’ প্রদর্শনী দেখতে এসেছি। হাসি মুখে তরুণী অডিটরিয়েমের দিকে ইংগীতে দেখিয়ে বললেন, শামীম সাহেব একটু পরে আপনার সঙ্গে দেখা করবেন। অর্থাৎ উনি আমার মেইল পেয়েছেন।

   অডিটরিয়ামের দিকে এগিয়ে গেলাম। খুব নিচু নিচু চাওড়া চাওড়া সিঁড়ি বেয়ে নামছি, ডাইনে ও বায়ে লাগানো খবর কাগজে ছাপানো ছবির পুনর্মুদ্রন, একটু রঙ পুড়ে যাওয়া ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে যেন অতীত ইতিহাসের পাতা থেকে এইমাত্র নেমে এসেছে ছবিগুলো। প্রায় ৮০টি ছবির মধ্যে একটি মাত্র ছবি রঙ্গিন। অষ্টাদশ শতাব্দীর কোন এক সাহেবের আঁকা ছবির ছবি। মাথায় বাদশাহী টুপি, লম্বা কোর্তা আর কোমরে তালোয়ার, দাড়ীওয়ালা এক ব্যক্তি এক সাহেবকে কুর্নিশ করে স্বাগতম জানাচ্ছেন। মীরযাফর আর লর্ড ক্লাইভ। ঠিক তার উলটা দিকে আর একটি ছবি, ১৯৭১ সনের ১৭ই ডিসেম্বর তারিখের খবর কাগজ থেকে নেওয়া। ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ সন। ঢাকার রমনার রেসকোর্স মাঠে পাতা একটি টেবিল। টেবিলে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তান বাহিনীর অধিনায়ক লেঃ জ়েঃ এ এ কে নিয়াজী আত্মসমর্পপত্রে সাক্ষর করছেন। একবার ডাইনে দেখলাম, একবার বাঁয়ে দেখলাম। দুই আত্মসমর্পনের দৃশ্য, কি ভিন্ন তাদের অর্থ। একটি পরাজয়ের নাগপাশ, অন্যটি স্বাধীনতার, মুক্তির প্রতীক। এই দুই ছবির মাঝে রয়েছে ঐ দুই সময়ের মধ্যকার ইতিহাস। প্রদর্শিত ছবির শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ছবিই যখনকার ছবি তখনি খবর কাগজে প্রকাশনার সময় আমার দেখা।

            দেখা ছিল না ১৯৪৬ সনের হিন্দু-মুসলীম দাংগার সময় মোহনদাস করমচান্দ গান্ধির নোয়াখালী সফর। দেখা ছিল না ভারতীয় সেনপতিদের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে সৈন্য প্রদর্শনরত বাংলাদেশ মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জেনারেল ওসমানীর ছবি। দেখা ছিল না দুই নারী মুক্তিযোদ্ধার ছবি। একজনের পরনে মিলিটারী পোষাক, অন্যজনের পরনে বাংলার সাধার পল্লী নারীর কালো পাড়ের শাড়ী। একজন চালিয়েছেন মুক্তিবাহিনীর জন্য ফিল্ড হস্পিটাল, অন্যজন যুদ্ধক্ষেত্রে চালিয়েছেন রাইফেল। দুইজনই পেয়েছেন বীর প্রতীক উপাধি। একজন হলেন ডক্টর ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম, অন্যজন তারামন বিবি।

সারা অডিটরিয়ামে আমি একা। শক্ত মেঝের ওপর জুতার খট খট শব্দ এসে আমার পেছনে থেমে গেল। ঘুরে দেখি দুতাবাসের ডেপুটি চীফ অব মিশন, শেখ বেলাল। সম্ভাষ বিনিময়ের পরে বেলাল সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, কেমন দেখছেন? বললাম ভালো। আরো বললাম, বেশিরভাগ ছবি ঘটনার সময়েই আমার দেখা। তিনি বললেন, তা হবে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, নতুন প্রজন্মকে, বিশেষ করে আমেরিকার নতুন প্রজন্মকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানো। তাই, দেখুন, প্রতিটি ছবিতে বাংলার পাশে ইংরেজী ক্যপশনও দেওয়া আছে। বেলাল সাহেব ঘুরে ঘুরে ছবিগুলো দেখাতে দেখাতে বললেন টেক্সাসের হিউস্টন শহরের Friends of Liberation War Museum এর সহযোগিতায় এই প্রদর্শনী হচ্ছে। তারা ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর থেকে ছবিগুলো পেয়েছেন। সংযোগ ব্যক্তির নাম ওলি মোহাম্মদ। বাড়ী ফিরে ওলি মোহাম্মদ সাহেবের সঙ্গে কথা বলে বুঝলাম তারা হাতে নিয়েছেন বিরাট এক কাজ। রাজনৈতিক মতবাদের বাইরে, কেবল মাত্র মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ধরে রাখার জন্য, পরবর্তী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্মর করিয়ে দেওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সৃষ্টি। অতি স্বল্প সম্পদ দিয়ে শুরু করা হয় এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান। জাদুঘর মনে করে যে, যেহেতু ধর্মের নামে, রাষ্ট্রের অখন্ডতার নামে  অন্যায়, নিষ্ঠুর গহত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম, সেই কারণে বাংলাদেশের একটা দায়িত্ব রয়েছে বিশ্বকে সাবধান করা যেন ধর্ম বা সার্বভৌমত্তের নামে গহত্যা আর কোনদিন না হয়। মানব জাতিকে এব্যাপারে সজাগ কোরে তোলা জাদুঘরের আর এক উদ্দেশ্য। জনাব ওলি মোহাম্মদ জাদুঘরের মিশন স্টেটমেন্ট বর্ণনা করে বলেন তা হল, “A Museum dedicated to all freedom loving people of the world and victims of mindless atrocities and destruction committed in the name of religion and sovereignty.  The museum is proof that determination can overcome all odds to win freedom and liberty”.

ওলি মোহাম্মদ আরো বলেন, হিউস্টনের তাদের প্রতিষ্ঠানের দুটো প্রধান উদ্দেশ্যের একটি হল ঢাকার জাদুঘরের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা। অন্যটি হোল মানব জাতিকে গহত্যার বিরদ্ধে সজাগ কোরে তোলা। তিনি আরো জানান যে এই ভ্রাম্যমান প্রদর্শনী মেরীল্যান্ড, নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় প্রদর্শিত হবে।

     ঘুরে ঘুরে প্রদর্শনী দেখতে গিয়ে নজরে পড়লো ছোট একটা কাঁচের বাক্স, ভেতরে দুটো ছবি। দুই শহীদ মুক্তিযোদ্ধার ছবি। একজন ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের বীরত্তম, অন্যজন আহসানুল কাদের। বেলাল সাহেব বললেন, এই বাক্সটা বর্তমানে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব করামূল কাদেরের ব্যক্তিগত সম্পত্তি, জাদুঘরের নয়। এরা দুজনই তাঁর সহদর। প্রথমজন শহীদ হন মহালছড়িতে, অন্যজন কুষ্টিয়াতে। বেলাল সাহেব চলে যাওয়ার পরও ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। একটা ছবির সামনে দাঁড়িয়ে পড়লাম। ঢাকা শহর ১৯৭১ সালের মার্চ মাস। দুজন মানুষ শেখ মুজিব আর জুলফিকার ভুট্টো বসে আছেন। এই একটা ছবিতে দেখলাম শেখ সাহেবের গায়ে হাতকাটা মুজিব কোট নেই। প্যান্ট আর গলাবন্ধ ফুলহাতা কোট, পায়ে চকচকে জুতা। পাশেই অন্য আর একটা ছবি। ঢাকা বিমান বন্দরে জেনারেল ইয়াহিয়া খান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে কান চুলকাচ্ছেন। হঠা আমার মনে পড়ে গেল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত চরম পত্র অনুষ্ঠানের একটি কথা কেমন বুঝতাছেন। এমন সময় দেখি শামীম আহসান সাহেবমার পাশে। এটা সেট কথা বলার পর উনি বললেন, চলুন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আপনার কথা বলিয়ে দি।

     রাষ্ট্রদূত করামূল কাদের সাহেবের দায়িত্বভার গ্রহণের পর দু একবার দেখা হয়েছে, করমর্দন হোয়েছে, আলাপ তেমন হয়নি। কেমন আছেন ভালো আছি ইত্যাদির পর জিজ্ঞাসা করলাম, ৭১-এ  আপনি কোথায় ছিলেন? এতক্ষনে যেন স্লুইস গেট খুলে পানির বন্যা বইতে শুরু করলো। যুবক করামূল কাদের ইসলামাবাদে ফরেন অপিসে কর্মরত। ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানীদের পরাজয়ের পর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে International Red Cross, ICR, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে বললো, তিনি কি তাদের হয়ে পাকিস্তানে বাংলাদেশীদের একটা লিষ্টি করতে পারেন, যারা বাংলাদেশে ফেরত যেতে চান। তিনি কাজে লেগে গেলেন। পাকিস্তানীরা কেউ না বললেও বাঙ্গালি দুএকজন তাকে ধমক দিলেন, নিরুসাহিত করলেন। কাদের সাহেব কিন্তু কাজটা করেই ছাড়লেন। এদিকে খবর পেয়েছেন, তাঁর পাঁচ ভাই মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছে। একদিন পাকিস্তানীরা

 

 

 

সরকারী চিঠি দিল, কে কে “so called Bangladesh” অপশন দিতে চায়। অন্যান্যদের সঙ্গে তিনিও বাংলাদেশের অপশন দিলে, চাকরী নট হয়ে গেল, বাড়ী ছেড়ে দিতে হল। তার পক্ষে পালিয়ে আসতে সহজ হোল এই কারণে যে, তিনি একা, স্ত্রী বাংলাদেশে। এতক্ষনে ভাইয়েদের কথা বলতে বলতে কাদের সাহেবের গলা ভারী হোয়ে আসলো। ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের একা এক প্লাটুনের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাদের ভীষ ক্ষতি করে নিজে মারাত্মকভাবে জখম হন। ক্যাম্পে নিয়ে যেতে যেতে শহীদ হন আফতাবুল কাদের। আহসানুল কাদের কুষ্টিয়ায় লড়াই করে শহীদ হন। আরো অনেকের মত তাঁর কোন বিস্তারিত খবর পাওয়া যায়নি। তাঁর অপর মুক্তিযোদ্ধা ভাই, এই কিছুদিন আগে পরলক গমন করেন। দেখি আবেগে ইকরামূল কাদের সাহেবের গলা ভারী হয়ে আসছে বললাম, আমি দুঃক্ষিত, আপনাকে ব্যথা দেওয়ার জন্য আমি এ প্রশ্ন করিনি। বিদায় নিয়ে বেরিয় আসতে তিনি তাঁর অফিসের দরজা পর্য্যন্ত পৌছে দিলেন। বললেন, আমি একা নই, আমার মত লাখ লাখ মানুষ তাদের ভাই হারিয়েছে। কিছুক্ষ চেয়ে ছিলাম তাঁর অশ্রুভরা চোখের দিকে। হাত বাড়িয়ে দিলাম করমর্দনের জন্য। যদি একটুখানি সান্তনা পান এই আশায়।

     নিচে নেমে আসতে দেখি, কন্সুলার বিভাগের কর্মচারী দিলরুবা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করছে সেই আবাঙ্গালী রিসেপশনিষ্ট তরুণীটির সঙ্গে। আমাকে দেখেই আনন্দে ঝলমল করে উঠে বললো, আঙ্কল,  ঐ দিকে মুক্তিযুদ্ধের ওপর এক্সজিবিশন হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু আর আরো অনেকের ছবি আছে। ক্ষণিকের জন্য চেয়ে রইলাম দিলরুবার মুখের দিকে। বললাম হ্যাঁ, দেখেছি। একাত্তরে ওর জন্মই হয়নি। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, রাজাকার ওদের কাছে গল্প ইতিহাস, যেমন আমাদের কাছে মীরযাফর সিরাজুদ্দৌলা মীর মদন। হঠা এক বন্ধুর কথা মনে পড়ে গেল খালেক মিয়া। বছর দুয়েক আগে নিউইউর্কে থাকতে থাকতে ওপার চলে গেছে। একদিন খালেক মিয়া অন্যান্যদের সঙ্গে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে যায়, শেখ সাহেবের সঙ্গে দেখা করতে। মাথা ভর্তি ঘন কালো চুল দেখিয়ে শেখ সাহেব ওদের বলেছিলেন, দেখ এই চুলগুলো সব সাদা হয়ে গেলেও আন্দোলন ছাড়বো না। দূতাবাসের সামনে রাখা গাড়ীতে উঠে স্টার্ট দিতে দিতে ভাবছিলাম মীরযাফর থেকে মুজিব যেন এই কালকের ঘটনা!

ওয়াশিংটন ডিসি

জানুয়ারী ৬, ২০১০

ElderHossaini@gmail.com

 

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে অর্থ সাহায্য দিতে, বা মুক্তিযুদ্ধ প্রদর্শনী সামগ্রী দান করতে, বা নিজেদের এলাকায় ভ্রাম্যমান প্রদর্শনী করতে কিংবা সেচ্ছাসেবী হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা Olimohammed@rocketmail.com ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন।           
 

মন্তব্য:
Arifur Rahman   February 1, 2010
হোসেনি ভাই, খুব ভালো লাগলো আপনার লেখাটি পড়ে। আমিও দেখে এসেছিলাম। কিনতু আপনার লেখাটি পড়ে মনে হলো দেখার আগে আপনার লেখাটি পড়া thakle aro valo lagto. Dhonnobad
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.