Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  মূল রচনাবলীঃ  ||  ৯ম বর্ষ ১১তম সংখ্যা ফাল্গুন ১৪১৬ •  9th  year  11th  issue  Feb - Mar  2010 পুরনো সংখ্যা
ওবামার সংগ্রামী জীবন Download PDF version
  ওবামা ও মার্কিন রাজনীতি

 

ওবামার সংগ্রামী জীবন

মনজুর চৌধুরী

 

কালের যাত্রায় ইতিহাসের পাতায় যে যে ক্ষণগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষকে জাতি, ধর্ম, বর্ণের বাধা অতিক্রম করার প্রেরণা যোগাবে, তার মধ্যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে ওবামার উত্থান হযে থাকবে এক কালজয়ী মাইলফলক কালো মানুষদের দেশ কেনিয়া থেকে সর্বোন্নত দেশ আমেরিকার জ্ঞানের ভান্ডার থেকে উন্নত চিন্তা ধারণ করে দেশে ফিরে নিজের দেশটাকে সামনে এগিয়ে নেবার স্বপ্ন নিয়ে যে মানুষটি ষাটের দশকে এ দেশে এসেছিলো সে কি কখনো  চিন্তাও করতে পেরেছিলো যে তার সন্তান এক দিন সব চেয়ে শক্তিশালী দেশটির কর্ণধার হবে?

ওবামার জন্ম ৪ঠা আগস্ট ১৯৬১ সন, হাওয়াই দ্বীপপুন্জের হনলুলুতে ওবামার বাবা সিনিয়র বারাক ওবামা আর তার মা এ্যান ডানহাম (Ann Dunham) ওবামার দাদা ছিলেন ব্রিটিশদের কুক এবং মুসলমান ওবামার বাবার ছেলেবেলা কেটেছে গ্রামে, সাধারণ গ্রাম্য বালকের মত

ওবামার মার জন্ম আমেরিকার মধ্যভাগের রাজ্য ক্যানসাসে এ দেশের অন্য অনেক সাদা মধবিত্ত পরিবারের মত ভাগ্য অন্নেষণে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্য হয়ে এক সময় হাওয়াইতে এসে থিতু হযেছিল এ্যা-এর পরিবারআর এখানেই হনলুলু ইউনিভার্সিটিতে এ্যান আর ওবামার বাবার পরিচয়বুদ্ধিদীপ্ত, বাকপটু, সাহসী কালো মানুষটি সহেজই জয় করে নিলো উদার মনের এ্যানকে এ্যা-এর বাবা-মা প্রথমে এই সম্পর্কের ভবিষ্যত নিয়ে তাদের সন্দেহ প্রকাশ করলেও পরে তার এক সময় মুগ্ধ হোল সিনিয়র ওবামাকে কাছে থেকে দেখেওবামার যখন দু বছর বয়স তখন ওবামার বাবা হার্ভার্ড উনিভার্সিটিতে মাস্টার্স করার জন্য চলে গেল; কিন্তু স্কলারশ-এর টাকায় তিন জনের সংসার চালানো অসম্ভব তাই সে একাই চলে এলো এ নিয়ে মতবিরোধ থেকেই তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলোার্ভার্ড থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী নিয়ে দেশে ফিরে গেলো ওবামার বাবা, সাথে নিয়ে গেলো অন্য এক সাদা আমেরিকান বৌকে আর এ্যান পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলো ইন্দোনেশিয়া থেকে পড়তে আসা লোলো সোয়েটরো-র সাথে তাদের এই পরিবার চলে এলো ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়বারাক ওবামার শৈশবের চারটি বছর কেটেছে এখানে দশ বছর বয়স পর্যন্ত অন্য সব সাধারণ ছেলে মেয়েদের সাথে ওখানকার মুসলিম স্কুল ও পরে মিশনারী স্কুলে লেখাপড়া করেছে ওবামা এই পরিবারে এর মাঝে জন্ম নিলো ওবামার বোন মায়া ওবামার যখন দশ বছর বয়স তখন তার মা ভালোভাবে লেখাপড়া শেখার জন্য তাকে পাঠিয়ে দিল তার নানা-নানর কাছে, হনলুলুতে তারপর থেকে মূলত নানা-নানর সাহচর্যেই বেড়ে উঠে ওবামা

 হাইস্কুলের পাঠ শেষে ওবামা চলে এলো লস এঞ্জেলে-এর অক্সিডেন্টাল কলেজে পড়তে  দুবছর পর ওবামা চলে এলো নিউ ইয়র্ক-এর কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে। ১৯৮৩ সনে এখান থেকে পলিটিকাল সায়েন্সে ডেগ্রী নিয়ে নিউ ইয়র্কেই কর্মজীব শুরু করে ওবামা। নিউ ইয়র্কের এই দিনগুলোতে ওবামা করেছে আত্মনুসন্ধান তার বাবা তখন কেনিয়াতে বড় আমলা বুঝতে শেখার পর একবার মাত্র হনলুলুতে ওবামাকে দেখতে এসেছিলো তার বাবা এর পর থেকে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ হতো তার বাবার সাথে। তার বাবা চাইতে বারাক (বাবার ভাষায় Barry) ফিরে যাক কেনিয়াতে তার নিজের মানুষদের কাছে কি আমার পরিচয়? এই প্রশ্ন হনলুলুর স্কুল জীবন থেকেই প্রতিনিয়ত ওবামার মনে সে কি ফিরে যাবে তার পিতার পথ ধরে কেনিয়াতে, নাকি mixed race-এর একজন হয়ে অন্য অনেকের মত কলেজ ডিগ্রী নিয়ে নয়টা-পাচটা অফিস আর কর্পোরেট ল্যাডার বেয়ে সমাজের একটা সুবিধাভোগী শ্রেণীর অংশ হয়ে জীবন কাটাবে? নাকি নিজকে একজন আফ্রিকান আমেরিকান হিসাবে, তাদের জীবনের সুখ-দুঃ, চাওয়া-পাওয়া, আর বন্ধ গণ্ডী থেকে বেরিয়ে আসার সংগ্রামে সাথী হবে? লস এঞ্জেলেস-এর কলেজ জীবন এবং তার আগে হাওয়াই-এর বন্ধুদের সাথে আড্ডার সময়গুলোতেও তার বন্ধুদের জীবন জিজ্ঞাসা আর জীবন কাহিনী থেকে বারাক পেতে চাইতো নিজের ভবিষ্যতের পথের দিশাএ পর্যন্ত বন্ধু বান্ধব হিসাবে সে পেয়েছে নানা বর্ণের, নানা রকমের মানুষ - নেটিভ হাওয়াইয়ান, সাউথ এশিয়ান, ইরানিয়ান, Mixed Race আর সত্যিকারের আফ্রিকান আমেরিকান যে নানা ও নানীর সাথে বয়সন্ধিকালের বেশির ভাগ সময় কেটেছে, বিশেষত খুব বেশি একটা লেখা পড়া না জানা নানার জীবনটাকে খুটিয়ে দেখেছে ওবামা তার মা যদিও ছিল দূরে, কিন্ত ওবামার লেখা পড়ার অগ্রগতির প্রতি ছিল দারুন খবরদারিযখনি সুযোগ হযেছে তখনি ছেলেকে দেখতে এবং তাকে বড় হতে উত্সাহ দিতে এ্যান ছিলো সদা সচেতন উদার জীবন দর্শনের মানুষ এ্যান যেভাবে সাদা, কালো, বাদামী সব মানুষকে তার বাইরের রঙ্গের পেছনের মনটাকে দেখার এবং সমভাবে বরণ করার, তাদের সাথে জীবন ভাগভাগির যে আদর্শ রেখে গেছেন - তাও ওবামাকে দিয়েছে উত্সাহ

নিউ ইয়র্কে থাকাকালীন একদিন হঠা টেলিফোন এলো কেনিয়া থেকে, তার এক ফুপু ফোনে জানালেন যে ওবামার বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন যে মানুষটিকে বারাক বুঝতে শেখার পর মাত্র একবার দেখেছে, যার সাথে এ যাব সে তেমন কোনো আত্মিক বন্ধন অনুভব করেনি, কিন্তু তার মৃত্যুর সংবাদ তাকে প্রচণ্ডভাবে বাবার কথা ভাবতে, তার বাবার স্বপ্নের কথা ভাবতে বাধ্য করলো  বারাক নুতন করে উপলব্ধি করলো যে সে মূলত আফ্রিকান এবং এটাই তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তখন থেকেই আফ্রিকান আমেরিকানরা, যারা আজো আমেরিকাতে সব বিবেচনায় দারুনভাবে পিছিয়ে আছে, তাদের জন্য কিছু করার স্বপ্নের জন্ম কলেজ জীবনের বন্ধু রেজিনার কাছে সে জেনেছিলো শিকাগোর সাউথ সাইডের নেতৃত্ববিহীন মানুষ গুলোর কথাওবামা ঠিক করলো সেখানে গিয়ে তাদেরকে একত্রিত করে, তাদের সবাইকে  তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে, তাদেরকে স্বপ্ন দেখাতে এবং সে স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেবার সংগ্রামে সাথী হবে সে ১৯৮২ সনে বারাক চলে এলো শিকাগোতে হোয়াইট হাউসে তখন রিগান, ওবামা ঠিক করলো কম্যুনিটি অর্গানাইজার হয়ে একেবারে নিচ থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে পরিবর্তন আনবে সর্বস্তরে এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে, হোয়াইট হাউসে, সিনেটে, কগ্রেসে এখানেই শুরু হলো ওবামার জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়

শিকাগোতে নানা বর্ণের মানুষদের জন্য স্থানীয় স্কুলগুলোর গুণগত পরিবর্তন, যুবকদের জন্য জব ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা, অস্বাস্থ্যকর বর্জ্য অপসারণ এ রকম কাজগুলোর পাশাপাশি ওবামা তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্নকেও জাগিয়ে রাখলো  মাঝে ঘুরে এলো কেনিয়া থেকে কেনিয়া যাবার পথে ইউরোপের এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত ঘুরে বেড়াল কেনিয়াতে তার নিজের লোকদের কাছ থেকে দেখলো৷ বোন অমা (ওবামার বাবার প্রথম আফ্রিকান স্ত্রীর সন্তান)-কে নিয়ে তার বাবার সব বোনদের সাথে, তার দাদার গ্রামের বাড়িতে, আর কেনিয়ার শহর আর গ্রামে যত আত্মীয়স্বজন সবার সাথে দেখা করলো এবং জানতে চেষ্টা করলো তার বাবার পরিচয় আর তার স্বপ্নের কথা   

১৯৮৮ সন - কেনিয়া থেকে শিকাগোতে এসে অল্প দিনের মধেই বিশ্ব বিখ্যাত হার্ভার্ড ল কলেজে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নেয়ার জন্য চলে এলো ওবামা হার্ভার্ড-এর দিনগুলোতে যদিও পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত সময় কেটেছে, কিন্তু মন পড়েছিল শিকাগোতে হার্ভার্ডের পাঠ শেষ করে আবার চলে এলো শিকাগোতে চাকুরী নিলো একটা আইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে, এখানে সম অধিকারের দাবতে করা অনেক মামলাতে ওবামা লড়ল সাধারণ মানুষের জন্য, আর নিজকে তৈরি করলো ভবিষ্যতের রাজনৈতিক লক্ষ্যে৷

ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামার সাথে তার পরিচয়ও সেই শিকাগোর সাউথ সাইডে মধ্যবিত্ত এক আফ্রিকান আমেরিকান পরিবারে তার জন্ম পূর্ব পুরুষরা আমেরিকায় এসেছিল দাসত্বের শৃঙ্খল পরে মিশেলের বাবা-মা তাদের সব উজা করে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছিল মিশেল ও তার ভাইকে মিশেল আর ওবামা বিয়ের আগে কেনিয়া গিয়ে পরিচিত হয়ে এলো ওবামার আফ্রিকান পরিবারের সবার সাথে হাওয়াইতে গেল ওবামার নানা-নানর সাথে পরিচিত হতে ১৯৯২ সন  - মিশেল ও বারাক ওবামার বিয়েতে ওবামার আফ্রিকান ভাই-বোনরা এলো, এলো নানী, মা এ্যান আর ইন্দোনেশিয়ান বোন মায়া সবার উপস্থিতিতে এক আনন্দঘন পরিবেশে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলো তারা  মিশেলের বাবা আর ওবামার নানা এই বিয়ের আগেই চলে গেছেন পরপারে সবাইকে কাছে পেলেও তাদের অনুপস্থিতি অনুভব করলো তারা মিশেল ও ওবামা দম্পতি এখন দুটি কন্যা সন্তানের জনক/ জননী - মালিয়া (১২) আর  শাশা (৯)

বিয়ের কিছুদিনের মধ্যে ওবামা শিকাগো ল স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন১৯৯৬ সনে ওবামা ইলিনয় রাজ্যের সিনেটে সিনেটর নির্বাচিত হন২০০৪ সন ছিলোবামার  জীবনের  বিরাট  অর্জনের  বছর। এ বছর ওবামা নির্বাচিত হলেন আমেরিকার সিনেটে ইলিনয় রাজ্যের প্রতিনিধত্বকারী দুজন সিনেটরের একজন হিসাবে এ বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাক্কালে ডেমোক্রাটিক পার্টির কনভেনশনে প্রথম তিনি সারা আমেরিকার মানুষের কাছে নিজেকে একজন প্রাজ্ঞ, চিন্তাশীল ও নতন ধারার রাজনতিক হিসাবে পরিচিত করলেন কন্ভেন্সনে দেওয়া তার ভাষণ ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে এবং পুরো আমেরিকার জনগকে ভীষভাবে  উদ্দীপ্ত  করে নতুন  স্বপ্ন দেখতে শেখায় - যেখানে সাদা, কালো, বাদামনানা বর্ণের মানুষ দলীয় পরিচয়ের র্দ্ধে উঠে সকল মানুষের সম অধিকারের আমেরিকান স্বপ্নের বাস্তবায়নে জ করবে

তার পরের ইতিহাস সবার জানা ২০০৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার অসাধারণ বিজয় সারা আমেরিকা এবং সারা বিশ্ব নতুন স্বপ্নে বিভোর হলো টেলিভিনের পর্দায় তার বিজয় উদযাপনের অনুষ্ঠানে সমবেত লাখো জনতার সাথে পৃথিবীর এপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের কোটি মানুষের সাথে আমরা আমেরিকার বাংলাদেশীরাও আবেগে আপ্লূত হলাম নতুন দিনের আশায় বুক বাধলাম 

এ পর্যন্ত দুটো বই লিখেছেন ওবামা প্রথম বইটি আত্মজীবনী, “Dreams from My Father”, প্রকাশকাল ১৯৯৫ সন দ্বিতীয় বই "The Audacity of Hope", প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। দুটো বইই বেস্ট সেলার লিস্টে ছিলো অনেক দিন তার আত্মজীবনীতে ওবামা তার স্বপ্ন এবং সেই স্বপ্নের বিবর্তনের খুবই সুন্দর এক বর্ণনা দিয়েছেন ছোট বেলায় তার স্বপ্ন ছিল কাছে না পাওয়া বাবাকে নিয়ে ওবামা ভাবতো তার বাবা আফ্রিকার কোনো এক দেশের রাজপুত্র বাবা যখন তাকে দেখতে এলো হাওয়াইতে তখন ওবামা পেল না তার স্বপ্নের রাজপুত্রকে বাবার মৃত্যুর পর বোন অমার কাছ থেকে বাবার জীবনের উত্থান-পতনের কাহিনী  জানলো  ওবামা একসময়  কেনিয়া  সরকারের  একজন সফল  আমলা হলেও পরে ভিন্ন গোত্রের লোক কেনিয়ার জাতির পিতা কেনিয়াত্তার সাথে মতবিরোধের কারণে সব হারিয়ে মদ্যপে পরিত হয়েছিল সিনিয়র ওবামা পরিবারের সবার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হলো এক সময় আবার যখন সব গোছাতে শুরু করলো তখনি গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলো তার তার বাবার স্বপ্নগুলো রয়ে গেল অপূর্ণ বাবার সেই অপূর্ণ স্বপ্নের সাথে এক সময় তার ইন্দোনেশীয় বাবা লোলোর - যে নিজের দেশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর দুর্নীতিতে ভরা সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করেছে প্রতিনিয়ত, পাকিস্তান ইমিগ্রান্ট বন্ধু সাদিক, ইন্দোনেশিয়াতে দেখা দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলো, হাওয়াই-এর বন্ধুরা, সম-অধিকার বঞ্চিত রাগী আফ্রিকান আমেরিকান আর শিকাগোর সাউথ সাইডের বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা আরব, চাইনীজ, এবং অন্য অনেক দেশের মানুষ আর কালো মানুষদের জীবন সংগ্রাম এক হয়ে গেলো এদের সবার কাছ থেকে ওবামা পেলো উজ্জ্বল  এক  নতুন  আশার  স্বপ্ন, এক নতুন শ্লোগান Hope and Change, Change We Can Believe In

 

ফেব্রুয়ারী ৩, ২০১০

ই-মেইল : mchowdhury@hotmail.com

 

মন্তব্য:
K. Raisuddin   February 27, 2010
Excellent writing. Please keep on. I see a real enlightment in yourself. Your contributions will definitely help the others.
K. Raisuddin   February 27, 2010
At the time of election, there was a famous slogan, "YES WE CAN". I think this can be mentioned in the article somewhere, and I believe, that will enhance Obama's commtment and courage for uplifting the nation. Thanks, Rais
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.