Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  নিয়মিত কলাম  ||  ১০ম বর্ষ ১ম সংখ্যা বৈশাখ ১৪১৭ •  10th  year  1st  issue  Apr - May  2010 পুরনো সংখ্যা
একজন ইয়াসিন ও আনুসঙ্গিক প্রসঙ্গ Download PDF version
 

নিয়মিত কলাম

 

দূরের জানালা কাছের মানুষ

একজন ইয়াসিন ও আনুসঙ্গিক প্রসঙ্গ

অনিরুদ্ধ আহমেদ

এক.

ইয়াসিনের সঙ্গে আমাদরে কোন আত্মীয়তার সর্ম্পক নেই। ভাষা,সংস্কৃতির বিচারেও সে অনেকখানিই সতীর্থ নয় আমাদের এবং বলাই বাহুল্য স্বদেশিও নয় কিন্তু এই যুবকের ব্যক্তিত্ব ও কর্তব্যপরায়ণতা আমাদেরকে অনেক কাছে টেনে নিয়েছে এবং আমরা মুগ্ধ হয়েছি এটা দেখে যে সে অনেকখানি ঝুঁকি নিয়েই তার যাত্রীদের যাত্রাকে নির্বিরোধ করতে সচেষ্ট হয়েছিল এবং বলাই বাহুল্য যে দিল্লি থেকে কোলকাতায় ফিরে আসার যে ফ্লাইটটি আমরা নিশ্চিত মিস করতে যাচ্ছিলাম এই কুশীলব ট্যাক্সিচালকের ক্ষিপ্রতায় আমরা সেই প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করে কোলকাতার পথে আমাদের উড়ান  নিশ্চিত করতে পেরেছি। মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও স্বীকৃতির সে ছিল আমার অভিজ্ঞতায় এক নতুন অধ্যায়। সে প্রসঙ্গটি এবং এর অনুসঙ্গ সর্ম্পকে বিস্তারিত বলবো একটু পরেই কারণ গোটা বিষয়টিই আমাদের এবারকার ভারত ভ্রমণের সঙ্গে সম্পৃক্ত।  দিল্লি থেকে প্রায়  ৭০ কিলোমিটার দূরে ,গুড়গাঁও এর এক অবকাশ  কেন্দ্রে ছিলাম বেশ কয়েকদিন ,সাম্প্রতিক এই ভারত সফরের সময়ে। হারিয়ানা রাজ্যের ঐ গুড়গাঁও অবকাশকন্দ্রেটিকে কেন্দ্র করেই আমাদের পশ্চিম ভারত সফরের উদ্যোগ। আমার বেয়াই প্রসূণ গাঙ্গুলি এবং তাঁর বিদূষী স্ত্রী মিতালি গাঙ্গুলির সৌজন্যে এবারকার এই ভারত ভ্রমণ। পুত্রবধু শুচিস্মিতাও আমাদের সঙ্গি হয়েছিল এই ভ্রমণে কারণ ভারত নাট্যমের এই শিল্পী,তার নৃত্য প্রর্দশনের জন্যে তখন লন্ডন থেকে কোলকাতায় উপস্থতি, পাঁজ্জনের এই "র্পযটক" দলটির  এই সফরের মূল পরকিল্পনাকারী,আমার সদ্য হাস্যময় বেয়াই ঠিক করলেন যে গুড়গাঁও এর ঐ অবকাশস্থলকে কেন্দ্র করেই আমরা দিল্লি, আগ্রা,আজমির ও জয়পুর সফর করবো। অতএব প্রথমেই,দিল্লির বিমান বন্দর থেকে,গুড়গাঁও এ যাত্রা। তখন যে ট্যাক্সিতে করে আমরা গুড়গাঁও এ যাচ্ছিলাম,সেই চালকটি অপেক্ষাকৃত আনাড়ি এবং র্দীঘ পথ ঘুরে প্রায় ক্লান্ত অবসন্ন অবস্থায় গুড়গাঁও এর সেই মনোরম অবকাশ স্থলে পৌছুলাম। কিন্তু  ট্যক্সিচালকের কাছেও আমি কৃতজ্ঞ কারণ যে পাড়া গাঁয়ের পথ দিয়ে আমাদের নিয়ে এলো ,এই অপেক্ষাকৃত অনভিজ্ঞ চালকটি,সইে পথটি পশ্চিম ভারতের গ্রামীন চালচিত্র তুলে ধরলো আমাদের চোখের সামনে। দিল্লির আভিজাত্যের সঙ্গে আধুনিকতার যে সংমিশ্রন মোঘল আমলের ঐতিহ্যবাহী শহরটিকে করেছে দর্শনীয় এবং সেখানকার জনপথগুলো যে পাশ্চাত্যের জনপথের আদলে নির্মিত সেটা যেমন আমরা দেখলাম,তেমনি হারিয়ানার পাড়া গাঁয়ের ধুলিধুসরিত রাস্তায় লক্ষ্য করেছি  অলস মহিষের নিশ্চিত আনাগোনা,ভাঙা কালর্ভাট এবং মেরামতহীন রাস্তায় প্রচন্ড ঝাকিঁ খেতে খেতে শেষ পর্যন্ত আমরা গিয়ে পৌছুলাম সেই মনোরম অবকাশ কেন্দ্রটিতে। কিন্তু এই যে দুর্গম গ্রামের পথ দিয়ে আমাদের ভ্রমণ এটি যেমন ভারতের বিশালতা ও বৈচিত্রকে আমাদের সামনে তুলে ধরে ঠিক তেমনি এ কথাও তুলে ধরে যে উন্নয়নের সার্বিক  স্পর্শ থেকে এখনও বঞ্চিত সেখনকার সাধারণ গ্রামগুলি। দারিদ্র যে কেবল ব্যক্তিক পর্যায়ে রয়েছে তা নয়, রয়েছে সামষ্টিক এবং,বলাই বাহুল্য অবকাঠামোগত দিকেও। ভারতের মতো দ্রুত বিকাশশীল অর্থনৈতিক শক্তি চীনও এবং চীনেও যদিও কমিউনিস্ট পদ্ধতির শাসনের জন্যে একটা আপাত সমতার ভাব রয়েছে গোটা দেশে কিন্তু জনসংখ্যার চাপে জর্জরিত সেই দেশেও সাধারণ জনগোষ্ঠি এবং এলিট শ্রেণীর  মধ্যে জীবন যাত্রার মানে রয়েছে যথেষ্ট সূক্ষ্ম ব্যবধান।

দুই.

অবশ্য এই ব্যবধান ও বৈপরীত্য সত্বেও  অর্থনীতির যে তেজি ভাব লক্ষ্য করা যায়,চীন ও ভারতে,সেটি বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক চালচিত্রের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। ভারতে  আমার বহুবার সফরের সুযোগ হয়েছে কিন্তু এই বারই প্রথম লক্ষ্য করলাম যে মধ্যবত্তি ভারতীয়দের জীবন যাত্রায় এসেছে বড় রকমের ইতিবাচক পরিবর্তন । কোলকাতা,দিল্লি যেখানেই গেছি,সেখানেই চওড়া দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে দেখেছি মানুষকে স্বাচ্ছন্দে মানিয়ে নিতে। কোলকাতার এসপ্ল্যানেডে লক্ষ্য করেছি যে সস্তা রোল রুটি খাবার পাশাপাশি,তরুণ প্রজন্মের ভীড় কেএফসির দোকানে এবং দেখেছি আড়াই শ'টাকা দিয়ে স্যান্ডউইচ কিনে খেতে তরুণ প্রজন্ম এখন আর দ্বিধান্বিত নয়। বিশ্বায়নে অর্থনীতির ইতিবাচক প্রভাবগুলো পড়ছে ভারতের অর্থনীতির ওপর। নেহেরু-ইন্দিরার রক্ষণশীল বাম ঘেষা অর্থনীতি যেমন ভারতের স্বাধীনতার পর প্রথম কয়েক দশক ভারতকে কৃচ্ছ্রতা সাধন করতে শিখিয়েছে  এবং সেই সঙ্গে অনেকখানি স্বয়ম্ভর হতেও,তেমনি এখন এই মনমোহন সিং এর অপক্ষোকৃত মুক্ত অর্থনীতিতে ব্যক্তিক ও বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করায়,ভারতের অর্থনীতি এখন এক নতুন মাত্রা পেয়েছে নিৱসন্দহেই। এটি সম্ভব হয়েছে এই কারণে যে মূল অবকাঠামোগত কাজ ভারত সম্পন্ন করেছে তা স্বাধীনতার প্রথম তিরিশ বছরেই,আজ এই ষাটের কোঠায় এসে ভারতের অর্থনীতির যে চাঙ্গা ভাব এবং এশিয়ার দুটি মজবুত অর্থনীতির যে একটি এখন ভারত সে ব্যাপারে সংশয়ের কোন অবকাশ নইে। তবে এ কথাও সত্যি যে গুড়গাঁও এর পাশ্বর্বতী এলাকার মতো,ভারতে এ রকম অসংখ্য জায়গা আছে, যেখানে অর্থনীতির এই তেজি ঘোড়া এখনও গিয়ে পৌছেনি। অবশ্য পাশাপাশি এটাও বলা প্রয়োজন যে ভারতের গ্রামগুলিতে চাকচিক্যের অভাব থাকলেও মৌলিক পরিষেবার অভাব তেমন একটা নেই। বেশ বহু বছর আগে দক্ষিণ ভারতের গ্রামাঞ্চল দেখার সুযোগ হয়েছিল আমার,তখনও দেখেছি গ্রামে গ্রামে বিদ্যুত সরবরাহ,বিদ্যুতের আলো,বিদ্যুৎ চালিত সেচ ব্যবস্থা এই সব। অনুমান করি,এখনকার ভারতীয় পল্লী এ দিক দিয়ে এগিয়েছে বহুদূর।

তিন.

আমাদের এই সফরটি ছিল নিতান্তই আনন্দভ্রমণ,তাই খুব যে একটা বিশ্লষেণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে  কোন স্থান,ব্যক্তি বা সমষ্টিকে দেখেছি,তা বোধহয় বলা যাবে না তবে চলার পথে যা কিছু দেখেছি,তাতে আনন্দের উৎস সন্ধান করেছি। দিল্লিতে মোগল সম্রাট হুমায়ুনের সমাধিই বলুন কিংবা আগ্রার তাজমহলই বলুন না কেন, এগুলোর ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত চমৎকার এবং বেশ ছিমছাম। পর্যটন কেন্দ্রের আশপাশে ভিক্ষুক চোখে পড়েনি একেবারেই,যদিও আজমেরে হজরত খাজা মইনুদ্দনি চশিতি (রঃ) এবং দিল্লিতে হজরত নিজামুদ্দিন আউলিয়ার মাজারে  বেশ কয়েকজন সাহায্যপ্রার্থী চোখে পড়েছে। ইসলামের এই দুজন সুফি পুরুষের সমাধি ছাড়াও, দেখতে গেলাম বাহাই মন্দির যা কীনা লোটাস টম্পেল হিসেবেও পরিচিত। পদ্মফুলের আকৃতির এই বিশাল কাঠামোটি নামেই কেবল মন্দির কিন্তু এর ভেতরে কোন বিগ্রহ নেই আদৌ,এটি মূলত সর্বধর্মীয় প্রার্থনালয়। প্রায় বারো বছর পর আমি এ বার আবার এই লোটাস টেম্পলে গিয়ে দেখতে পেলাম,এর শৃঙ্খলা একটুকুও নষ্ট হয়ে যায়নি। স্বেচ্ছাসেবকদের পথ প্রর্দশনই বলুন,আর জুতো রাখার সুনিপুণ ব্যবস্থাপনাই বলুন সবই মনোমুগ্ধকর এবং বিশাল ঐ প্রার্থনালয়ে নীরবে ধ্যান করলে যথার্থ বিশ্বাসী হয়ত ঈশ্বরকে অনুভব করতেই পারেন। এই বাহাই টেম্পল এর সঙ্গে যখন ইসলামি সুফি পুরুষদের সমাধি কিংবা হিন্দুদের মন্দিরের কথা ভাবি তখন বোঝা যায় সেখানে যেন সেই কাঙ্খিত প্রশান্তিটি নষ্ট হয়ে গেছে। হজরত খাজা মইনুদ্দিন চাশতি(র) 'র মাজারে প্রবেশের জন্যে যে শারীরিক পরিশ্রম করতে হয়েছিল,আমাদরে প্রায় সবাইকে,তাতে মানসিক নিষ্ঠা ও ধ্যান রক্ষা করা সম্ভব ছিল না কোনক্রমইে। তবে যে জিনিষটি প্রশংসনীয় তা হলো ধর্মবশ্বিাস নির্বিশেষে,নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই এসেছে ইসলামের এই সুফি সাধকের সমাধিতে,যেখানে শক্তি নয়,ভক্তির জয়জয়কার উচ্চারিত। সঙ্গীতের সমন্বিত প্রয়াসে ঈশ্বরকে পাবার আকুলতা লক্ষ্যণীয়।

চার.

এই আজমির যাওয়াকে কেন্দ্র করেই,গুড়গাঁও এর সেই অবকাশ কেন্দ্রের র্কতৃপক্ষ,আমাদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যে গাড়ির ব্যবস্থা করেছিলেন,তারই চালক ইয়াসিনের কর্মদক্ষতা এবং নিষ্ঠায় আমরা সকলইে মুগ্ধ হয়েছে। স্বল্পভাষী,কর্মদক্ষ এই তরুণটি যে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গেছে,আমাদের নির্দেশকে অমান্য না করেই যে ভাবে পরামর্শ দিয়েছে,সে সব বিষয় আমাদের ভ্রমণকে করেছিল,নিরাপদ  ও নান্দনিক। দিল্লি ছাড়বার আগের দিন,আমি সেখানে একজন ভারতীয় লেখকের সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক একটি ইংরেজি বই কিনেছিলাম। লেখক এব্ং বইটির নাম এখন ঠিক মনে পড়ছে না  কিন্তু বিষয়টি যে  হাল আমলের  বিশ্বে র্ধমীয় উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের ওপর লেখা ছরি, সেটি মনে আছে। পথে পথে যখনই থেমেছি কোন কারণে, কিংবা নেমেছি কোন কিছু দেখতে,ফিরে এসে দেখেছি গাড়িতে রাখা আমার ঐ বইটি ইয়াসিন মনোযোগ দিয়ে পড়ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা সর্ম্পকে জানতে চাইলে বললো,সে বিএ পাশ। সাধারণ অর্থে এ যুগের পরিমাপে বিএ পাশ খুব একটা বড় কিছু নয় এ কথা মেনে নিয়েও বলবো যে ইয়াসিনের আচরণ দেখে মনে হয়েছে যে ছেলেটি যে শিক্ষিত তাই-ই কেবল নয়,সুশীলও বটে। বই পড়ার আগ্রহ এবং সার্বিকভাবে সংযত মনোভাব আমাদের প্রায়  প্রত্যেককেই আকৃষ্ট  করেছে তার প্রতি। ভাবছলিাম গান্ধি-নেহেরু -মৌলানা আবুল কালামের ভারতে সংখ্যালঘু সমাজ থেকে আসা এই অনাত্মীয় তরুণটি তার মধ্যেও মননের আর কোন যোগ্য মূল্য অদূর ভবিষ্যতে পাবে কি ! আমি বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখছি না,দেখছি একটি সামগ্রকি মানবিক মূল্যবোধের প্রেক্ষিত বিবেচনায় নিয়ে। ভারতে মুসলমানদের অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার এবং বাংলাদেশে হিন্দুদেরও বঞ্চিত করার কথা আজ আর কারও অজানা নেই। অথচ দুটি দেশেই ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলে থাকছে বরাবর। এই তো কদিন আগইে আমার এক সহর্কমি,পশ্চিম বঙ্গে এক হিন্দু ভদ্রলোকের সঙ্গে টেলিফোন আলাপ করতে গিয়ে জানতে পারলেন যে যশোরের এই ব্যক্তি ,যিনি বাংলাদেশের সচিবালয়ে উপসচিব পদে নিয়োজিত ছিলেন,তাঁকে চাকুরীচ্যুত করে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছিল ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের প্রশাসন। বিশেষ কোন ধর্মবিশ্বাসী হবার কারণে কাউকেই এ ধরণের আচরণের শিকার করা যায় না। ভারতের ইয়াসিনকে আমি যতই ভাববার চেষ্টা করি,ততই আমার চোখের সামনে চলে আসে বাংলাদেশের কোন এক চক্রবর্তী কিংবা সাহা'র চিত্রও,যিনি যোগ্যতার র্মযাদা পান না স্বদেশেই কোন এক ধর্মানুসারী হবার কারণে। আসলে ইয়াসিনের সঙ্গে কোন চক্রর্বতী কিংবা সাহা'র কোনই তফাৎ নেই,তফাৎ শুধু দেশের, স্থানের।

দিল্লি ছাড়বার আগে তাড়াহুড়োতে ইয়াসিনের গাড়িতে ফেলে এসেছিলাম বইটি। ফোনে জানিয়েছিল ডাকযোগে পাঠিয়ে দেবে  বই; আমইি বলেছিলাম,না থাক,বইটা তুমিই পড়ো। খাজা বাবার দরগায় যে ইয়াসিন ভক্তিতে আনত হয়েছিল,সে নিশ্চয়ই সন্ত্রাসী শক্তিকে প্রত্যাখ্যান করবে বইটিতে অনুপ্রাণিত হয়ে। তবে প্রয়োজন ইয়াসিনের মতো শিক্ষিত মার্জিতদের চাকরী দেয়ার,নইলে বিভ্রান্ত করার লোকের তো আর অভাব নেই। আমরা কী ভারতে,কী বাংলাদেশে ইয়াসিন কিংবা সাহাদের জয় চাই,জয় চাই অসাম্প্র্রদায়িক শক্তির এখন।

 

অনিরুদ্ধ আহমেদ: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক ও নিবন্ধকার।

 

মন্তব্য:
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.