Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  প্রযুক্তি বন্ধন  ||  ৯ম বর্ষ ২য় সংখ্যা জ্যৈষ্ঠ ১৪১৬ •  9th  year  2nd  issue  May-June  2009 পুরনো সংখ্যা
ই-কৃষক: গ্রামীণ কৃষিতে উত্তরণের সূচনা Download PDF version
 

প্রযুক্তি বন্ধন

 

ই-কৃষক: গ্রামীণ কৃষিতে উত্তরণের সূচনা

মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন

কাপাসিয়া উপজেলা সদর থেকে ১২ কিলোমিটার পেরিয়ে নরসিংদী জেলা সংলগ্ন মির্জানগর গ্রাম। গাজীপুর জেলার এই প্রান্তিক গ্রামটির মানুষের জীবিকার প্রধান অবলম্বন কৃষি। ধান, শাক-সবজি, ফলমূল আর মুলিবাঁশের প্রাচুর্য এখানকার কৃষিতে। রয়েছে  পশুসম্পদও। গ্রামের প্রায় প্রতিটি মানুষ সেখানে ফসলের রূপকার। ছোট একটি নদী আলাদা করেছে দুই জেলাকে। নদী, বর্ষায় তলিয়ে থাকা ধানক্ষেত আর বিলের মাছ ধরেও খাওয়া-পরার সংস্থান হয় গ্রামের কারো কারো।

কৃষিনির্ভর গ্রামটিতে গত বিশ বছর ধরে ফসল ও বৃক্ষের নতুন নতুন চাষবাসের প্রসার ঘটছে। কিন্তু এসব চাষপদ্ধতির কারিগরি দিকগুলো সম্পর্কে মানুষের কাছে অনেক তথ্য পৌঁছেনি। কৃষিবিষয়ক কারিগরি তথ্যের বিশাল শূন্যতার মধ্যে অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে এখানকার কৃষি। অন্যদিকে আবহাওয়ার খেয়ালি চরিত্র ফসলে নানা অজানা রোগের বিস্তার ঘটাচ্ছে। কৃষকদের রুটিরুজির উপর আঘাত হানছে এসব দূর্যোগ। এগুলো মোকাবেলার জন্যে সময়মতো সঠিক কারিগরি পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ এখানে সম্প্রসারিত হয়নি। কৃষকরা হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়ান – কার সঠিক পরামর্শ পেলে তাদের ফসল রক্ষা পাবে। বেশিরভাগ সময়ই তারা সঠিক সমাধান পাওয়া থেকে বঞ্চিত রয়ে যান। জরুরি সময়ে সঠিক সমাধান পেলে বেঁচে যেতে পারে কৃষকের কষ্টের ফসল- যেমনটা বেঁচে গেছে সাদির উদ্দিন প্রধানের লিচুবাগান।

গ্রামের বড় বাঁশবাগানগুলোর একটার পাশে প্রধান বাড়ি বলে পরিচিত তাঁদের বাড়ি। তাঁর প্রয়াত বাবার নামে বারেক মেম্বারের বাড়ি নামেও পরিচিত। সনমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য বারেক মিয়া ছিলেন অবস্থাসম্পন্ন কৃষক। তাঁর চার ছেলে পাঁচ মেয়ে। ছেলেদের মধ্যে ছোট সাদির উদ্দিন।

সাদির উদ্দিনের দুই মেয়ে এক ছেলে। বড় মেয়ে ক্লাস টেন পর্যন্ত পড়েছে। এসময় বিয়ের প্রস্তাব আসে। সম্বন্ধটা হাতছাড়া করেননি। আরেক মেয়ে আগামীবার এসএসসি দেবে। ছেলে ক্লাস নাইনে পড়ে। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া একটা ছোট ঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস। উঠোনের এদিক-ওদিক ফল-ফলাদির গাছ- বরই, আম, কাঁঠাল, বেল সফেদা। এক পাশে ছোট্ট আদাক্ষেত, বিলেতি ধনে। ঘরের পেছনে চারটে রোগাটে নারকেল গাছ, অজানা রোগে গাছগুলোর কচি ফল ঝরে পড়ছে।

বছর বিশেক আগে কলমের চারা লাগিয়ে সাদির উদ্দিন লিচু বাগান করেন। বাবার কাছ থেকে পাওয়া সম্পত্তি আর নিজের কেনা কিছু জমি মিলিয়ে গড়ে তোলেন বাগান। ১৪ শতাংশ জমির বাগানে ১৯টা ‘বেলারী’ জাতের লিচু গাছ রয়েছে। গ্রামের মমতাজ উদ্দিন নামে প্রয়াত একজনের লিচু বাগান ছিল। অল্পজমির বাগান থেকে তার আয় দেখে লিচু বাগান করার দিকে ঝোঁকেন সাদির উদ্দিন।

গত মৌসুমে ২৫ হাজার টাকা আর আগের মৌসুমে ৩৫ হাজার টাকার লিচু বিক্রি করেন তিনি। আগে বাগান আগাম বেঁচে দিতেন ব্যাপারিদের কাছে। লিচুতে সিঁদুরে রং এলে ব্যাপারিরা কিনে নেয়, লিচু পেড়ে নেয়া পর্যন্ত ব্যাপারিরাই বাগানের দেখভাল করত। এ ধরনের আগাম বিক্রিতে ৮-১০ হাজার টাকার বেশি পেতেন না সাদির উদ্দিন।

দু’ মৌসুম ধরে নিজেই লিচু বিক্রি করেন সাদির উদ্দিন। এতে আগের চেয়ে তিন-চার গুণ বেশি টাকা আসে। এই জমিতে ধান চাষ করলে হয়তো বছরে একবার করতে পারতেন। উঁচু জমি বলে হলুদ বা শাকসবজি চাষ করা যেত। সব মিলে বছরে দুই-আড়াই হাজার টাকার বেশি আসত না বলে তাঁর অভিমত।

বাগান পরিচর্যার টুকিটাকি প্রতিবেশী ও ব্যাপারিদের কাছ থেকে শিখেছেন। সেই সামান্য জানা নিয়েই সারা বছর বাগানে একটি সেচ পাম্প বসিয়েছেন। কোনো ফুট স্প্রেয়ার নেই। স্প্রে করা, ডাল ছাঁটা ও সার দেওয়া- সব করলেও নিয়ম ভালো জানা নেই। বাগানে জানা-অজানা নানা সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সমস্যারই সমাধানের উপায় তাঁর জানার বাইরে। আগে দু-একবার ঘন কুয়াশার জন্যে লিচুগাছে ফুল ফোটেনি। এক টাকাও আসেনি বাগান থেকে। আবার পোক্ত হওয়ার আগেই ফল ঝরে যায়। বোঁটার গোড়ায় পোকাদের আক্রমণ। পাতায় সাদা ছত্রাক। পাতা ঝাঁঝরা করে ফেলে পোকায়। এসব সমাধানের জন্য এখানে-সেখানে দৌড়ান। সঠিক সমাধান পাওয়া যায় না। বাগানে সমস্যা হলে চলে যান কীটনাশক বিক্রেতাদের কাছে। একটা সমস্যায় পড়ে কীটনাশকের দোকানে গিয়ে তাদের কথামতো ৬০০ টাকার ওষুধ কিনে গাছে ছিটিয়েছেন। কিন্তু এতে কাজ হয়নি, খরচাটাই সার। গত মৌসুমে বেশ লিচু ধরেছিল। কিন্তু ফল মোটরদানার মতো হওয়ার পর ঝরে পড়তে থাকে। আশপাশের অনেকের কাছে গিয়েছেন। কেউ সমাধান দিতে পারেনি। প্রতিবেশী কৃষকদের কাছ থেকে জানতে পারেন আড়ালবাজারে কমিউনিটি ইনফরমেশন সেন্টার আছে। নাম আকাশ মেলা। সেখানে চাষবাসের সমস্যার কথা জানালে তারা সমাধান এনে দেয়। ‘সেখানে গেলাম। সমস্যার কথা তাদের জানালাম। দুই দিন পরে সমাধান পাই। ২০০ টাকায় রিপকর্ড নামের ওষুধ কিনে ১০০ লিটার পানিতে মিশিয়ে গাছে স্প্রে করেছি । লিচু ঝরা বন্ধ হয়ে যায়’ - বললেন সাদির উদ্দিন। ফল বাগানটা রক্ষা হয়। ২৫ হাজার টাকার লিচু বিক্রি করেন তিনি। আগের মৌসুমের চেয়ে ১০ হাজার কম। গতবার জমি নিয়ে মামলায় জড়িয়েছেন। বিস্তর খরচা। বহুবার হাজিরা দিতে হয়েছে। ভালোভাবে বাগানের পরিচর্যা হয়নি বলে ফলন কম হয়েছে। মামলার খরচা যোগাতে প্রায় ৫ গন্ডা জমি বেচে দিতে হয়েছে। লিচু বাগানের টাকাটা না আসলে হয়তো আরো সম্পত্তি খোয়াতে হতো।

একই গ্রামের আরেকজন লিচুবাগান মালিক সানাউল্লার বাগানেও সেই বছর একই সমস্যা হয়েছিল। তিনিও সমাধানের উপায়টি সম্পর্কে জেনেছিলেন, কিন্তু পরামর্শমতো ওষুধ প্রয়োগ করেননি। ফলে বাগানের প্রায় সব লিচু ঝরে গেছে। তিনি এটাকে ভুল হিসেবে চিন্হিত করে বলেন, অনেক সময় অনেক কিছু শুনি, জানি, কিন্তু আমলে নিই না

আকাশমেলার স্বত্ত্বাধিকারী মাহবুব-এ-এলাহী প্রিন্স ব্যক্তি-উদ্যোগে আড়ালবাজারে ২০০৫ এ গড়ে তোলেন কম্পিউটারের দোকান আকাশ মেলা। তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে তাঁর প্রবল আগ্রহ, আয়ের উপায়ও এটা। ২০০৬ সালে গ্রামীণফোনের কমিউনিটি ইনফরমেশন সেন্টারের সাথে যুক্ত হয় আকাশ মেলা। ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন সেবা পাওয়া যায় আকাশ মেলায়। ক্যাটালিস্টের সহায়তায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি) এর উদ্যোগে আকাশ মেলায় কৃষি বিষয়ক তথ্য ও পরামর্শ সেবার কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রিন্স জানান, সাদির উদ্দিনের সমস্যাটি জানার পর তিনি সমস্যাটি ই-মেইল করে পাঠিয়ে দেন ঢাকায় উইন ইনকর্পরেট-এ। সেখান থেকে কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শসহ ফিরতি মেইল আসে দুদিন পর। জানানো হয়, সাদির উদ্দিনের লিচুবাগানে ফ্রুট বোরার পোকার (মাছিজাতীয় পোকা) আক্রমণ হয়েছে। ১০ লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে রিপকর্ড মিশিয়ে ছিটিয়ে পোকা দমন করতে হবে। দ্রুত সাদির উদ্দিনকে এই পরামর্শ পৌছে দেওয়া হয়। এই সেবার জন্য তাঁর কাছ থেকে কোনো টাকাপয়সা নেয়া হয়নি।

তথ্য-প্রযুক্তির সুবিধা কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারলে লাভবান হতে পারে কৃষক, বাঁচতে পারে কৃষি- আকাশ মেলার এই উদ্যোগ তার এক অনুপম দৃষ্টান্ত। তবে কৃষকদের মধ্যে এখনো তথ্য নেওয়ার বিষয়ে সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য বিআইআইডির একটি অনন্য উদ্যোগ ই-কৃষি। ইতিমধ্যে আরো কয়েকজন কৃষক তাঁদের কৃষিবিষয়ক সমস্যার সমাধান পেয়েছেন ই-কৃষকের মাধ্যমে, ভবিষ্যতে তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে আরো সমৃদ্ধ হতে পারে গ্রামীণ কৃষি- এটি তারই ইঙ্গিত দেয়। ই-কৃষক আরো এগিয়ে নিবে মির্জানগরের কৃষিকে, পূরণ করবে কৃষিকাজের কারিগরি তথ্যের শূণ্যতা- এই বিশ্বাস জেগেছে গ্রামটিতে।

ই-কৃষক কর্মসূচী নিয়ে কাজ শুরু করেছে বিআইআইডি

বাংলাদেশের কৃষক সমাজ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। এসব সমস্যার মাঝে কৃষকের প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ পাওয়ার সমস্যাটি অন্যতম। কৃষকরা সময়মত সঠিক তথ্য না পাবার কারণে নানা রকম রোগ-বালাই দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার পণ্যের সঠিক দাম পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হয়। তাই কৃষকদের কাছে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিক সময়ে পৌঁছে দেয়ার জন্য কৃষকদের মাঝে কম্পিউটারভিত্তিক তথ্য পরামর্শ সেবা প্রদানের একটি উদ্যোগের নাম ই-কৃষক। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট সম্প্রতি এই উদ্যোগের আওতায় গ্রামীণ ফোন কমিউনিটি ইনফরমেশন সেন্টার (সিআইসি) প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন এলাকায় ই-কৃষক কর্মসূচী নিয়ে কাজ শুরু করেছে। বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামের কৃষকগণ যাতে তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহনের মাধ্যমে কৃষিকাজে উন্নত উৎপাদন কৌশল, প্রযুক্তি এবং উপকরণের সময়োপযোগী সমন্বয় ঘটাতে পারেন- এটাই ই-কৃষক প্রকল্পের লক্ষ্য।

শষ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে রোগ-বালাই মোকাবেলা, সময়মত প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ এবং উন্নত কৌশল ও প্রযুক্তির ব্যবহারে তথ্য প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাতে প্রয়োজন কৃষকদের সাথে একাত্ত হয়ে কাজ করা। কৃষকদের নিজস্ব ধ্যান ধারণা, মতামতের সমন্বয় এবং সরাসরি অংশগ্রহণ ছাড়া কৃষক-বান্ধব তথ্য ও প্রযুক্তি ভিত্তিক সেবা সংগঠণ অসম্ভব। তাই ই-কৃষক প্রকল্পের মূল কৌশল হচ্ছে- তথ্য প্রযুক্তির সাথে কৃষক সমাজের বন্ধন ঘটাতে তাদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে সেবা সংগঠন এবং প্রচারের জন্য ই-কৃষক নেটওয়ার্ক গঠন।

ই-কৃষক প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশব্যাপী বিস্তৃত সিআইসি নেটওয়ার্ক থেকে চিহ্নিত বেশ কিছু এলাকায় কৃষকদের সংগঠিত করছে বিআইআইডি। ই-কৃষক সংগঠনে স্থানীয় সিআইসি উদ্যোক্তা এবং একজন মাঠকর্মী কাজ করছে বিআইআইডি টিমের সাথে। প্রথমেই জেনে নেয়া হচ্ছে এলাকা ভিত্তিক কিছু তথ্য:

-কৃষকদের জন্য কি কি তথ্য সেবা জরুরী এবং কখন?

- কিভাবে তথ্য/পরামর্শ দেয়া হলে একজন কৃষক তা সহজে প্রয়োগ করতে পারবেন এবং কিভাবে?

- তথ্য প্রদানে কিভাবে প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো সম্ভব ?

- তথ্য/পরামর্শ প্রয়োগে আর কি ধরনের সহায়ক সেবা বা সম্পূরক সেবা প্রয়োজন?

- সেবা ব্যবহার করে একজন কৃষক উপকৃত হচ্ছেন কিনা, হলে কতটুকু উপকৃত হচ্ছেন, তা কিভাবে নির্ণয় করা হবে?

উপরোক্ত তথ্যগুলো জানার জন্য কৃষকদের নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় ছাড়াও তথ্য প্রযুক্তি সুবিধা ব্যবহার এবং পরামর্শক এনে তাদের আলোচনাকে সহায়তা করছে বিআইআইডি। এলাকার কৃষি কর্মকর্তা বীজ/সার/কীটনাশক সরবরাহকারী, প্রবীণ কৃষক এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গরা যোগ দিচ্ছেন কৃষকদের জ্ঞান/তথ্য বিনিময় সভায়।

বর্তমানে দেশব্যাপী মোট ১২টি সিআইসি এলাকায় ই-কৃষক কর্মসূচীর কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক গবেষণার পর কৃষকদের নেটওয়ার্ক সংগঠন এবং মতবিনিময় সভার কাজ চলছে।

 

মন্তব্য:
Dr. Mashiur Rahman   May 28, 2009
Thanks for nice article. My research interest is also in e-agriculture, where IT will provide services to the agriculture sectors. Although the computer/mobile/pdf penetration is low in Bangladesh now, when those will be accessible to our agriculture sectors, we will be benefited by the e-agriculture. Beside this I am working in e-learning, e-healthcare and other IT enable services. পড়শী এর উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করে। ড. মশিউর রহমান ----------------------------------------------------------- Dr. Mashiur Rahman Assistant Professor Dept. of Electrical Engineering and Computer Science North South University, Dhaka, Bangladesh Email: md_mashiur_rahman@yahoo.com http://mashiur.biggani.org
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.