Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  সাম্প্রতিক  ||  ৯ম বর্ষ ২য় সংখ্যা জ্যৈষ্ঠ ১৪১৬ •  9th  year  2nd  issue  May-June  2009 পুরনো সংখ্যা
জঙ্গীবাদ ও বাংলাদেশ : অবাঞ্ছিত দৃশ্যপট Download PDF version
 

সাম্প্রতিক

জঙ্গীবাদ বাংলাদেশ : অবাঞ্ছিত দৃশ্যপট

 

নাসির আহমেদ

 

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা যে অসাম্প্রদায়িক উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছিলাম, সেই বাংলাদেশ যে আবার কোনোদিন সাম্প্রদায়িকতা নামক সাপের দংশনে নীল হতে পারে, তা ছিল একেবারেই কল্পনাতীতঅন্ততঃ আমাদের প্রজন্মের কাছেকেননা আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, দেখেনি পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক সামরিক দুঃশাসন আর ধর্মান্ধতার সাম্প্রদায়িক বিষাক্ত পরিবেশ, তারা ইতিহাস পড়েই জেনেছেন কীভাবে w™^RvwZ-Z‡Ë¡i ভ্রান্তনীতির ওপর পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটির জন্ম হয়েছিল ১৯৪৭-এর ১৪ আগস্ট, জেনেছেন তারা ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত অধ্যায় এবং গোটা ষাটের দশকব্যাপী পাকিস্তানি সামরিক একনায়কতন্ত্রের পৃষ্ঠপোষকতায় সামপ্র্রদায়িক দাঙ্গাহাঙ্গামার কথাˆ¯^ikvmb-†kvlY আর গণতন্ত্র হত্যার বিরুদ্ধে তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্র-শ্রমিক জনতা কীভাবে একের পর এক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল পাকিস্তানি দুঃশাসনের বিরুদ্ধেকত রক্ত আর অশ্রুর বিনিময়ে শেষ পর্যন্ত ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আদায় করা হয়েছিল সাধারণ নির্বাচনসেই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফার পক্ষে যে বাংলার মানুষ নিরঙ্কুশ রায় দিয়েছিল, সেই রায়তো আসলে ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে, শোষণের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্রের পক্ষেই গণরায় ছিলসেই রায় উপেক্ষা করে যখন পাকিস্তানি সামরিক জেনারেলরা দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের বিজয়কে A¯^xKvi করে দখলদারিত্ব অটুট রাখতে চেয়েছিল, তখনইতো অনিবার্য হয়ে উঠেছিল মুক্তিযুদ্ধ৩০ লাখ প্রাণের বিনিময়ে আমরা যে ¯^vaxb দেশটি অর্জন করলাম তার শাসনতন্ত্রের যে মূল ৪টি স্তম্ভ ছিল, সেই স্তম্ভগুলো যখন ১৯৭৫-এর ১৫আগস্ট সপরিবারে ¯^vaxbZvi স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার মধ্য দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হলো, তখনই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তানি সামপ্রদায়িক মূল্যবোধের দিকে ফিরিয়ে নেবার কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়যার ধারাবাহিকতায় একালের মীরজাফর খন্দকার মোশতাক থেকে শুরু করে জেনারেল জিয়াউর রহমান ও জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসনের হাত ধরে এদেশে নিষিদ্ধ ধর্মান্ধতার রাজনীতি দিনে দিনে শক্ত ভিত্তি পেয়ে গেছেবেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীরা এতটাই শক্তি সঞ্চয় করল যে, তাদের কারও কারও গাড়িতে উড়লো লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত পবিত্র জাতীয় পতাকাও! ক্ষমতার লোভে সামরিক শাসক জেনারেলের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিএনপি তাদের মন্ত্রীপরিষদে শুধু শক্ত ভিত্তিই দেয়নি, দেশ জুড়ে তাদের ডালপালা বিস্তারের ব্যাপক সুযোগও সৃষ্টি করে দিলযার বিষফল আজ ভোগ করছে বাংলাদেশ

১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনের আগেই বঙ্গবন্ধু যে সমগ্র দেশবাসীকে অনন্য ঐক্যে দৃঢ় শক্তিতে পরিণত করেছিলেন, সেই বাঙালি জাতিকে করা হলো w™^av বিভক্তজেনারেল জিয়া বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ নামের এক আশ্চর্য জাতীয়তাবাদ সৃষ্টি করে মুক্তিযুদ্ধের ঐক্যবদ্ধ জাতিকে করেছিলেন w™^av বিভক্তসেই বিভক্তি এতটাই প্রকট করেছে চার দলীয় জোট যে, এখন এদেশের এক আজব দানবীর শক্তি দাঁড়িয়ে গেছে যার নাম জঙ্গিবাদসে জঙ্গিবাদের উত্থানও ঘটে রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়েইঅর্থাৎ দীর্ঘ ২১ বছর পর যখন মুক্তিযুদ্ধ নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করল, তখনই এই  অশুভ শক্তির হঠাৎ আবির্ভাব লক্ষ্য করলেন দেশবাসীরমনা বটমূলে বোমা হামলা, যশোরে উদীচীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গ্রেনেড ও বোমা হামলা, ময়মনসিংহের কয়েকটি সিনেমা হলে একযোগে বোমা হামলা, কোটালিপাড়া হেলিপ্যাডে শেখ হাসিনার ওপর বোমা হামলার চেষ্টা, সিলেটে হযরত শাহজালালের মাজারে গ্রেনেড হামলা, কবি শামসুর রাহমানের বাসায় কবিকে হত্যা চেষ্টাসহ একের পর এক চার্চে, মাজারে বোমা হামলা শুরু হলোঅথচ এর আগে কখনো এই অশুভ শক্তির কোনো অস্তিত্ব আমরা দেখিনি এদেশেদুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, এসব ধর্মীয় জঙ্গিদের সবারই শিকড় ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলে এবং কোনো কোনো মাদ্রাসায়

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারর শেষ দিকেই বিএনপির সহযোগিতা পেয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে ওঠে এই চক্রটিএমনকি তারা ২০০১ এর নির্বাচনী জনসভায় খোদ পল্টন ময়দানে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতেই স্লোগান তুললো আমরা হবো তালেবান/ বাংলা হবে আফগান মুফতি ফজলুল হক আমিনী, মওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ চারদলীয় জোটের নেতারা যে সে শ্লোগান খুব এনজয় করেছেন, তখনকার টিভি নিউজ ফুটেজে তা দেশবাসী ভাল করেই দেখেছেননির্বাচনে বিজয়ী হবার সঙ্গে সঙ্গে সারাদেশে সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ সমর্থক ও নেতাকর্মীদের ওপর যে নৃশংস হত্যা, ধর্ষণ আর অগ্নিসংযোগ লুটপাটের ঘটনা ঘটায় তারা, তার সঙ্গে কেবল একাত্তরের নৃশংসতার তুলনা হতে পারে

এর আগেও তো ১৯৯১ সালে বিএনপি বিজয়ী হয়েছিলতখন তো এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেনিতাহলে ২০০১-এ কেনো ঘটল? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজলেই পাওয়া যাবে জঙ্গিবাদের উৎসজামায়াতসহ ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলো এবং তাদের সমর্থিত যে তালেবানী শাসনের সমর্থক আন্ডারগ্রাউন্ড সন্ত্রাস বোমাবাজ জঙ্গীবাদী চক্র সক্রিয় ছিল ২০০১-এ, সে কারণেই ৭১ এর মতো নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল চরম প্রতিহিংসার বশেযেন একাত্তরে পরাজয়েরই প্রতিশোধ! এ সময় ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা মওলানা ফজলুল হক আমিনী এক মাস পাকিস্তান সফর করেন, কেনো?

এই জঙ্গি উগ্রসাম্প্রদায়িক চক্রের ব্যাপক বিকাশ ঘটে চার দলীয় জোট শাসনের ৫ বছরেসমাজকল্যাণ, কৃষি ও শিল্প মন্ত্রণালয় চালিয়েছিলেন যে দুই জামায়াতী মন্ত্রী- অর্থাৎ মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদ, এদের পৃষ্ঠপোষকতায় শুধু জামায়াত-শিবির বিকশিত হয়নি, বিকশিত হয়েছে উগ্র জঙ্গিবাদীরাওহঠাৎ করে উত্তরবঙ্গে আবির্ভূত হলো বাংলাভাই আর শায়খ আবদুর রহমান নামের দুই নৃশংস জঙ্গিনেতাযারা প্রকাশ্যে প্রচলিত আইন আদালতকে A¯^xKvi করে দেশে শরিয়া আইন চালুর ঘোষণা দিয়েছিল এবং পুলিশের এসপি মাসুদ মিঞাসহ স্থানীয় গোটা প্রশাসন তাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলAwek^vm¨ হলেও সত্য যে, জামায়াতে ইসলামের দুই মন্ত্রী এবং বিএনপির কতিপয় মন্ত্রী এমপি প্রত্যক্ষ পরোক্ষে এদের সহযোগিতা সমর্থন এবং লালনে ভূমিকা রেখেছিলেন; যা এখন ক্রমাগত প্রকাশ হচ্ছেওই জঙ্গিচক্র উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে সারাদেশে তাদের এমন শক্ত ঘাঁটি তৈরি করলো যে, এক সময় তারা দেশবাসীকে নিজেদের শক্তি ও সামর্থ্যের কথা জানান দিতে একযোগে দেশের ৬৩ জেলায় একই সময়ে বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে শুধু দেশকে নয়, সারা wek^evmx‡K চমকে দিলহরকাতুল জিহাদ, জেএমবি, জেএমজেবিসহ নানা জঙ্গিদলের অস্তিত্ব যখন প্রকাশ্য, তখনই চারদলীয় জোট সরকারের ওপর এসেছিল যুক্তরাষ্ট্রহ আন্তর্জাতিক মহলের চাপঅগত্যা চাপে পড়ে ২০০৫-এর ফেব্রুয়ারিতে জেএমবি ও জেএমজেবিকে সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হলোগণমাধ্যমের প্রবল চাপের মুখে অবশেষে গ্রেফতার করতে হলো সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই আর শায়খ আবদুর রহমানের মতো জেএমবির শীর্ষ দুই জঙ্গি নেতাকেকিন্তু গ্রেফতারের পরও বন্ধ হলো না জঙ্গিদের তৎপরতাকারণ তাদের সমর্থনে ততদিনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাহায্য পেয়ে দেশে কয়েকশ ধর্মীয় মৌলবাদী এনজিও গড়ে উঠেছেনিজ ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠানসহ আন্তর্জাতিক অর্থের উৎসও জঙ্গিদের জন্য উন্মুক্ত তখনএ অবস্থায় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুবছর শাসন কালের মধ্যেই বাংলাভাই, শায়খ রহমানসহ শীর্ষ কয়েক জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর হলো আদালতের রায়েকিন্তু বন্ধ হলো না জঙ্গি তৎপরতা

২০০৮-এর wW‡m¤^‡i জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হবার পরে আবারও জঙ্গিরা নানা শাখা থেকে শক্তি সঞ্চয় করে তৎপর হয়ে উঠেছেইতোমধ্যে গ্রিন ক্রিসেন্ট নামের ব্রিটেনভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক এনজিওর অন্তরালে জঙ্গিবাদী কার্যক্রমের অভিযোগে মামলা হয়েছেচাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির আলামত স্পষ্ট হলো ভোলার বোরহানউদ্দিনে একটি মাদ্রাসা-কাম এতিমখানা থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং জঙ্গি প্রশিক্ষমূলক বইপত্র উদ্ধারের ঘটনায়বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক ফয়সলসহ কয়েকজন অভিযুক্ত এখন কারাঅন্তরালে

তার মানে চক্রান্ত থেমে নেই এখনোতালেবানী রাষ্ট্র গঠনের ¯^cœ থেকে এক চুলও সরেনি চার দলীয় জোটের পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাপকভাবে বিকশিত হওয়া মৌলবাদী জঙ্গিচত্রক্র২০০৪ সালের ২১ আগস্ট যারা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড মেরে হত্যা করতে চেয়েছিল, তারা এখন আরও মরিয়াএ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই শুরু হলো নানামুখী চক্রান্তজাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের নতুন খতিবের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামে জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় শুরু হলো চরম উচ্ছৃংখল পরিস্থিতিসে পরিস্থিতি সামাল দিতে না দিতে ঘটে গেল পিলখানাস্থ বিডিআর সদর দফতরে জঘন্যতম আর এক চত্ক্রান্তের নির্মম ঘটনাযে ঘটনা দেশে গৃহযুদ্ধ সৃষ্টি করতে পারতোঅথবা সৃষ্টি করতে পারতো আর একটি ৭ই b‡f¤^i| সেনাবাহিনী আর বিডিআর মুখোমুখি সংঘর্ষ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে পতন ঘটতে পারত একটি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসা সরকারেরহতে পারত আর একটি সামরিক অভ্যুত্থান কিংবা সামরিক শাসনওআরও অনেক কিছুই হতে পারত১৯৭৫-এর পর যেমন সিমটম দেখেছি আমরা, এবারও তার বহু আলামত দেখা যাচ্ছেদেশি বিদেশি চক্র তৎপর এখনওবিদেশেও চলছে বাংলাদেশি শ্রমিক উচ্ছেদ চক্রান্ত

এরকম বাস্তবতায় যদি বিডিআর এর অভ্যন্তরে সংঘটিত সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার নৃশংস ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রী ঠাণ্ডামাথায় সামলে দিতে না পারতেন, তাহলে জঙ্গীবাদীচক্র যে বাংলাদেশকে তালেবানি রাষ্ট্র বানানোর আরও একটি সুযোগ পেত, তাতে সন্দেহ নেইএই নৃশংস চক্রটির কাছে বাংলাদেশ এখনও নিরাপদ নয়আশার কথা হচ্ছে এই যে, বাংলাদেশের মানুষ গভীরভাবে ধর্মানুরাগী হলেও ধর্মান্ধতাকে কখনো প্রশ্রয় দেয়নিভবিষ্যতে দেবে সে সম্ভাবনাও নেইসুতরাং এখানে জঙ্গীবাদীচক্র তাই যতই শক্তি সঞ্চয় করে থাকুক না কেনো, ভবিষ্যতে তারা বেশি দূর অগ্রসর হতে পারবে না, যদি কোনো বড় ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত সরকারের ওপর আঘাত হানতে না পারেকারণ বর্তমান সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা সমূহ ইতোমধ্যেই জঙ্গীদের মদদদানকারী ১২টি সংগঠনকে চিহ্নিত করে ফেলেছে, যা ২৫ এপ্রিল দেশের সব দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তালিকাসহসন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ দমনে আমাদের এখন সংঘবদ্ধভাবে কাজ করার সময়রাজনৈতিক ক্ষেত্রে দলগুলোর মধ্যে যতই মতবিরোধ থাক, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও তালেবানী রাষ্ট্রের ¯^cœ`ªóv জঙ্গীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবেরাষ্ট্রের মৌল অধিকারের জন্যই তা প্রয়োজনযারা জঙ্গীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় আর সমর্থন দেবেন, বর্তমান বাস্তবতায় নিশ্চয়ই তাদের জনগণ ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করবে

_____________________________________________________________

ঢাকা।

 

মন্তব্য:
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.