Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/rabeya/public_html/admin/config.inc.php on line 4
Porshi Online......Home
 
Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ বর্তমান সংখ্যা   ||    ১০ম বর্ষ ৭ম সংখ্যা অগ্রহায়ণ ১৪১৭ •  10th  year  7th  issue  Nov - Dec  2010 পুরনো সংখ্যা
আপনার মন্তব্য জানাতে এখানে ক্লিক করুন
মূল রচনাবলীঃ   
   অতিথি সম্পাদকীয় • দীপেন ভট্টাচার্য
 সে এক বন আছে সবুজের অজস্র দেয়ালে • হামিদ কায়সার
 মোহনীয় সুন্দরবন • তৌফিক রহমান
 বাঘের পায়ের ছাপ, নৌকা থামাও • ক্রিস্টিনা গ্রিনউড
 সুন্দরবনের মুণ্ডাদের কথা • ফরিদা খান
 সুন্দরবনের শেলাবুনিয়া দ্বীপগ্রামে • দিলরুবা শাহানা
 সুন্দরবনের ছবি • দীপেন ভট্টাচার্য
 
 
  নিয়মিত কলাম   
   পৌষ মাস! • ওয়াহেদ হোসেনী
 চাই একেকজন নুজুদ, বাংলাদেশেও • অনিরুদ্ধ আহমেদ
 
 
  সাম্প্রতিক   
   বঙ্গবন্ধুর কষ্ট এবং হাসিনার সুখ • শুভ কিবরিয়া
 
 
  প্রযুক্তি বন্ধন   
   ইউস মাইক্রোবাবল পদ্ধতি প্রয়োগ করে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী ও আশে-পাশের পরিবেশ দূষণ মুক্ত করা সম্ভব • দলিলুর রহমান
 
 
  সাহিত্য   
   বৃষ্টি, আরো বৃষ্টি • মীজান রহমান
 রম্যবচনঃ ধাপে ধাপে দাম্পত্য • রণজিৎ বিশ্বাস
 অসতী হয়েছে ময়না • দীপিকা ঘোষ
 কবিতা • মো: সফি উদ্দীন, রোকসানা লেইস
 
 
  উত্তর আমেরিকায় কর্মকান্ড   
   বেতার সাংবাদিকতার জন্য ভয়েস অফ আমেরিকার স্বর্ণপদক পেলেন আনিস আহমেদ • 
 
 
  শিল্প সংস্কৃতি   
   
 
  স্বাস্থ্য   
   
 
  পাঠকের মতামত   
   
 
 
  কৌতুক   
   কৌতুক • 
 
 
  অদ্ভুত উটের পিঠে   
   অদ্ভুত উটের পিঠে • এহসান নাজিম
 
 

মন্তব্য:
 
মানস রায়   January 7, 2011
সুন্দরবন নিয়ে 'পড়শী'র বিশেষ সংখ্যা পড়লাম। ভালো লেগেছে। ইতিমধ্যে পশ্চিম বাংলার সুন্দরবনে কি হচ্ছে সে ব্যাপারে আনন্দবাজার পত্রিকার সাম্প্রতিক রিপোর্ট নীচে দিলাম। http://anandabazar-unicode.appspot.com/proxy?p=6jibjagat1.htm যদি পাঠকদের জন্য প্রয়োজনীয় মনে করেন তবে ছাপাতে পারেন। ধন্যবাদান্তে, মানস রায় প্লাস্টিক প্রতিরোধে ব্যর্থ প্রশাসন জলে-বাতাসে বিষ, বল্গাছাড়া পর্যটনে নাভিশ্বাস সুন্দরবনের মিলন দত্ত • কলকাতা. আনন্দবাজার পত্রিকা, ৬ই জানুয়ারী, ২০১১ ‘বন ভ্রমণের’ পরিতৃপ্তি নিয়ে দলে দলে ফিরছেন পর্যটকেরা। আর তাঁদের মন ভরাতে গিয়ে দফায় দফায় কলুষিত হচ্ছে সুন্দরবনের পরিবেশ। সুন্দরবনের উপরে পর্যটকদের ঝাঁপিয়ে পড়া ভিড় এ বারও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি বন দফতর। গত ক’বছরে, বিশেষত শীতের ছুটিতে সুন্দরবনের জঙ্গল অঞ্চলে ভ্রমণার্থীর সংখ্যা অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছে। এবং অধিকাংশ পর্যটক জীব-বৈচিত্র্যরক্ষার মৌলিক বিধি-নিয়মও মানছেন না। বস্তুত, পর্যটন সংস্থাগুলির তরফেই এমন উদ্যোগের অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে দিন দিন বিপন্ন হয়ে পড়ছে সুন্দরবনের অতি স্পর্শকাতর বাস্তুতন্ত্র। শীতের ভরা মরসুমে ভুটভুটি-লঞ্চ মিলিয়ে রোজ অন্তত ৭৫টি জলযান সুন্দরবনে ঢুকছে। এক-একটা যানে থাকছেন গড়ে অন্তত ৩৫ জন পর্যটক। সেগুলো গভীর জঙ্গলে ঢুকতে না-পারলেও অনেকটা দূর পর্যন্ত যায়। বন দফতরের হিসেব বলছে, এ ভাবে গত বছর দেড় লক্ষাধিক মানুষ সুন্দরবন ভ্রমণে গিয়েছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই লঞ্চে রাত কাটিয়েছেন। খাবারের উচ্ছিষ্ট, পলিব্যাগ, প্লাস্টিকের গ্লাস, থার্মোকলের থালা ইত্যাদি অবাধে নদীতে ফেলেছেন। সেই সঙ্গে জলে মিশেছে অত লোকের দৈহিক বর্জ্য। বিপুল সংখ্যক ভুটভুটি, লঞ্চের উপচে পড়া জ্বালানি তেলেও নদীর জলে মারাত্মক দূষণ ঘটছে। পাশাপাশি জলযানগুলোর ডিজেলের ধোঁয়ার মাধ্যমে অরণ্যের বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের বিষও দেদার মিশছে বলে ‘সাউথ এশিয়ান ফোরাম ফর এনভায়রনমেন্ট’ (সেফ)-এর সমীক্ষায় প্রকাশ। প্রশাসন কী করছে? ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ সুন্দরবনের জীব-বৈচিত্র্য ও পরিবেশকে বাঁচাতে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ২০০৭-এ তাকে ‘প্লাস্টিক-মুক্ত’ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু তা যে স্রেফ খাতায় কলমে, ম্যানগ্রোভ অরণ্যের যত্রতত্র পড়ে থাকা পলিব্যাগ আর প্লাস্টিকের থালা-গ্লাস-বোতলের বহরেই সেটা স্পষ্ট। দূষণকারী জিনিসগুলো জোয়ারের টানে ঢুকে যাচ্ছে গভীর অরণ্যে। পর্ষদের মুখ্য আইন-আধিকারিক বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়ের আক্ষেপ, “আয়লার পরে সুন্দরবনের স্থানীয় মানুষ নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়েছেন। যাবতীয় দূষণ ঘটাচ্ছেন পর্যটকেরা। তা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব বন দফতরের।” অথচ বন দফতর যে সে দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করতে পারছে না, রাজ্যের বনমন্ত্রী অনন্ত রায় স্বয়ং তা কার্যত স্বীকার করে নিচ্ছেন। কেন পারছে না? অনন্তবাবুর ব্যাখ্যা, “ট্যুরিস্টরা লঞ্চে ওঠার আগে আমরা তাঁদের সব বিধি-নিষেধ জানিয়ে দিচ্ছি। কেউ মানছেন, কেউ মানছেন না।” কিন্তু নিয়মমতো তো লঞ্চে ওঠার আগেই পর্যটকদের হেফাজত থেকে যাবতীয় নিষিদ্ধ প্লাস্টিকদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করার কথা! সেটা হচ্ছে না। এমনকী, অরণ্য সংরক্ষণে গ্রামবাসীদের নিয়ে গড়া বনরক্ষা কমিটিকেও সে ভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে কোথায়? বনমন্ত্রীর আশ্বাস, “ওখানে যাঁরা আছেন, তাঁদের যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলে দিচ্ছি।” পরিবেশ দফতরের দায়িত্ব নেই, বন দফতরও সক্রিয় নয়। অন্য দিকে, রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী মানব মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “আমরা নিয়ন্ত্রণহীন পর্যটনের বিরুদ্ধে। কিন্তু সুন্দরবনের পর্যটক নিয়ন্ত্রণে আমাদের কিছু করার নেই। দেখতে হবে, বন দফতরের অনুমতি না-নিয়ে তাঁরা কী ভাবে লঞ্চ-ভুটভুটিতে সুন্দরবনের ভিতরে ঢুকে পড়ছেন।” তবে, সমস্যা নিরসনে স্থানীয় মানুষকে জড়িত করে ‘পরিবেশবান্ধব পর্যটনে’ (ইকো ট্যুরিজম) জোর দিতে চাইছেন মানববাবু। বস্তুত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ্লোবাল চেঞ্জ প্রোগ্রাম’-এর একটি সমীক্ষাও একই কথা বলছে। উল্লেখ্য, বিশ্ব উষ্ণায়ণে পর্যটনের ভূমিকা ও সুন্দরবনের পরিবেশে তার প্রভাব নিয়ে গবেষণা এই কর্মসূচির অন্যতম অঙ্গ। কী বলছে তার সমীক্ষা? পরিবেশ-গবেষক ইন্দ্রিলা গুহের ওই সমীক্ষা-রিপোর্ট অনুযায়ী, সুন্দরবনে যে ধরনের প্যাকেজ-ভ্রমণ চলছে, তা থেকে স্থানীয় মানুষের উপকার বিশেষ হয় না। তাই রিপোর্টের সুপারিশ: মূলত শীতের চার মাসে যে লক্ষাধিক মানুষ সুন্দরবন বেড়াতে যান, তাঁদের জন্য ইকো-ট্যুরিজম পরিকাঠামোর উন্নতি ঘটিয়ে স্থানীয় অধিবাসীকে আরও বেশি করে পর্যটন-শিল্পে যুক্ত করা হোক। যাতে দরিদ্র মানুষগুলোর রুজি-রুটির সংস্থান হতে পারে। ইন্দ্রিলাদেবী জানাচ্ছেন, বন, পর্যটন, পরিবেশ ও বিভিন্ন সমাজসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে তাঁরা সম্প্রতি বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে স্থির হয়েছে, এই সমীক্ষার ভিত্তিতে সুন্দরবনে পরিবেশবান্ধব পর্যটনের প্রসার ঘটিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের চেষ্টা হবে। পর্যটনমন্ত্রীও প্রায় এক সুরে বলছেন, “সুন্দরবনে পাঁচতারা পর্যটন কিংবা ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা লজ-কেন্দ্রিক ভ্রমণের বদলে ‘কমিউনিটি ট্যুরিজম বা গ্রাম-ভিত্তিক পর্যটনে জোর দেওয়া দরকার। তাতে গ্রামের গরিবদের কিছু আয় হবে। জঙ্গলের উপরে ওঁদের নির্ভরতা কমবে।” ‘পর্যটন-দূষণের’ গ্রাস থেকে সুন্দরবনকে উদ্ধারই আপাতত সবচেয়ে বড় কাজ।
আবু মাসুদ   December 23, 2010
খুব ভালো লাগলো আপনােদর লেখাগুলো
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.