Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র   ||    ৯ম বর্ষ ১১তম সংখ্যা ফাল্গুন ১৪১৬ •  9th  year  11th  issue  Feb - Mar  2010 পুরনো সংখ্যা
মূল রচনাবলীঃ 
  ওবামা ও মার্কিন রাজনীতি


3495 বার পড়া হয়েছে
 

  অতিথি সম্পাদকীয়

আধুনিক বিশ্বে দীর্ঘতম চলমান গণতান্ত্রিক দেশ হোল আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন সেই চলমান গণতন্ত্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট। এই গণতান্ত্রিক দেশের সরকার তিন ভাগে বিভক্ত – প্রশাসন, সংসদ, ও বিচার বিভাগ। এইগুলো হোল প্রকাশ্য সরকারী অঙ্গ। আর একটি অঙ্গ সম্পূর্ণ অদৃশ্য এবং বর্তমানে দৃশ্যমান সকল অঙ্গের চাইতে শক্তিশালী। এই অঙ্গটি হচ্ছে লবীষ্ট গ্রুপ। এরা জনগণ দ্বারা নির্বাচিতও নয়, কিংবা প্রেসিডেন্ট কর্তৃক সুপারিশকৃত ও কংগ্রেসকৃত অনুমোদিতও নয়। এরা বিভিন্ন স্বার্থ গোষ্ঠী দ্বারা নিয়োজিত। লবীষ্ট গ্রুপের একমাত্র কাজ তাদের নিয়োগকর্তার স্বার্থ রক্ষার জন্য আইন প্রণয়নকারীদের ওপর প্রভাব বিস্তার করা। এবং সেটা করা হয় বৈঠকের মাধ্যমে, প্রচারণার মাধ্যমে, ভীতির মাধ্যমে, এবং অদৃশ্য টাকার হাতবদলের মাধ্যমে। লবীষ্টদের কার্যসিদ্ধির ব্যাপারে ঢিলাঢালা কিছু সরকারী ন্যায়নীতি ছাড়া আর কিছু বাধ্যবাধকতা নেই। নয় তারা তাদের নিয়োগকর্তাদের ছাড়া আর কারো কাছে দায়ী। এদের সমস্ত ক্রিয়াকর্ম আইনানুগ, গণতন্ত্রের অঙ্গ, বাক-স্বাধীনতার অধীনে। আইন প্রণয়নকারীদের সব চাইতে বড় ভীতি পরবর্তী নির্বাচনে পরাজিত হওয়া। আর এই ভীতিকেই লবীষ্টরা লাগায় কাজে। … লিখছেন ওয়াহেদ হোসেনী।
3272 বার পড়া হয়েছে
 

  প্রেসিডেন্ট ওবামার এক বছর - সাফল্য ও ব্যর্থতা

একজন প্রেসিডেন্টের সাফল্য বা ব্যর্থতার পরিমাপক আসলে কি? গণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতিতে একজন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর সাফল্যের পরিমাপ করা অনেক সহজ, কারণ সেখানে পরিমাপক একটিই, জনপ্রিয়তা। কিন্তু একজন প্রেসিডেন্টের সাফল্য বা ব্যর্থতার পরিমাপ করার জন্যে, সেখানে জনপ্রিয়তার ভূমিকা কতখানি? প্রেসিডেন্ট ওবামার এক বছরের শাসনামলের সাফল্য আর ব্যর্থতার কথা বলতে গিয়ে প্রথমেই কেন জনপ্রিয়তার কথা বলছি, সেটা সহজেই অনুমেয়। এক বছর আগে ওবামা যখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন, তার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে, শুধু আমেরিকাতেই নয়, সারা পৃথিবীতেই। আজ এক বছর পরে, সাম্প্রতিক গ্যালপ পোলের হিসাবে প্রেসিডেন্ট হিসাবে ওবামা এবং তার কর্মকান্ডের প্রতি আমেরিকানদের সমর্থনের পরিমান মাত্র ৫০%। আধুনিককালের আমেরিকান প্রেসিডেন্টদের এক বছর শাসনামল পরবর্তী সময়ে তাদের প্রতি আমেরিকান জনগণের সমর্থনের হিসাবে এটা খুবই কম। তার মানে … লিখছেন শ্যামল নাথ।
3371 বার পড়া হয়েছে
 

  ওবামা কি ডিকনষ্ট্রাকশনিষ্ট প্রেসিডেন্ট নাকি উইজার্ড অফ ওয়ার্ডস হতে চলেছেন!

২০০৮ এর প্রেসিডেন্সিয়াল প্রচারের সময় থেকে প্রেসিডেন্ট পদে সমাসীন হওয়ার মূহুর্ত পর্যন্ত বারাক হোসেন ওবামার জনপ্রিয়তা শনৈ গতিতে আকাশচুম্বী হয়। নির্বাচনে প্রতিশ্রুত বিষয়গুলোতে নিজেকে প্রমান করাতো দূরের কথা নিয়োগ করার আগেই ক্যারিসমেটিক প্রেসিডেন্ট/নেতা হিসেবে আখ্যায়িত হতে শুরু করেন। ক্ষমতায় যাবার এক বছর পরে তার সেই জনপ্রিয়তা ও মর্যাদার অবস্থান অক্ষুন্ন রয়েছে - তা দাবী করা রীতিমত কঠিন। সত্যি বলতে কি বাস্তবতা অনেকটাই পাল্টেছে। Peace and War in Oslo (The Nation : December 16, 2009) শীর্ষক সাম্প্রতিক একটি নিবন্ধে Win Without War Coalition–এর কো-চেয়ার কর্টরাইট বলেন - ওবামা অসলোতে তার উৎকৃষ্টতম বাগ্মীতা প্রদর্শন করে শান্তি এবং অহিংস নীতিমালাকে তুলে ধরেন। তবে তাঁর বক্তৃতা বিশ্বে আমেরিকার ভূমিকা সম্পর্কে বিকৃত একটি ধারণা দেয় এবং 'ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ' বলতে যা বোঝায় সে সব বিষয়ে তাঁর অগভীর ধারণা বা জ্ঞানকে স্পষ্ট করে। আমেরিকার সামরিক ক্ষমতা বিশ্বে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সাহায্য করেছে (.. that US military power has helped to underwrite global security) বলে দাবী করেন। কথাটি শুনে ... লিখছেন দেওয়ান শামসুল আরেফীন ।
3224 বার পড়া হয়েছে
 

  ওবামার স্বাস্থ্য নীতি

আজকের আমেরিকার উন্নয়ন শুরু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর। যুদ্ধের সময়, ইউরোপে আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার গিয়ে উঠেছেন হোয়াইট হাউসে। যুদ্ধের গরমে তখনও তাঁর রক্ত টগবগ করছে। যুদ্ধ পরিচালনা ও জয়ের সময়সীমা তিনি যেভাবে হিসাব কষেছিলেন, তার চাইতে অনেক অনেক কম সময়ে কাম ফতে হয়ে যায়। তাঁর বাহিনী একবার জার্মানী প্রবেশ করলে, তারা তাঁর হিসাবের অনেক আগে আগে দ্রুত এগিয়ে যেতে থাকে, কারণ জার্মানীর অটোভ্যান – জার্মানীর মহাসড়ক ব্যবস্থা। প্রেসিডেন্ট হয়ে আইজেনহাওয়ার তাঁর সে শিক্ষা আমেরিকার উন্নয়নে প্রয়োগ করতে চাইলেন। আইজেনহাওয়ার মনে করলেন, যান বাহন দ্রুতয়ান করতে পারলে উন্নতিও হবে দ্রুতায়িত। এক বাক্যে সবাই সে কথা মেনে নিলেও ঝড় উঠলো ভীষণ জোরে। সবার এক প্রশ্ন, পয়সা আসবে কোথা থেকে? আজকের মত, তখনকার দিনে হুট করে ঋণের পরিমান বাড়িয়ে দেওয়ার রেওয়াজ শুরু হয়নি। তবু আইজেনহাওয়ার হাল ছাড়েননি, ‘কুইট’ করেননি। আইজেনহাওয়ারের চাইতে অনেক বেশী অর্থ সঙ্কটে পড়েও নতুন যুগের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা শুধু সিনেট আর হাউজের সামনে নয়, সারা আমেরিকার সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আই ডোন্ট কুইট’। আমেরিকান স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংস্কার করতে গিয়ে তাঁর গাড়ী যে কাদায় আটকিয়ে গেছে, তারই উল্লেখ করতে গিয়ে ওবামা এই কথা বলেন। … লিখছেন ওয়াহেদ হোসেনী।
3418 বার পড়া হয়েছে
 

  ওবামার সংগ্রামী জীবন

কালের যাত্রায় ইতিহাসের পাতায় যে যে ক্ষণগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষকে জাতি, ধর্ম, বর্ণের বাধা অতিক্রম করার প্রেরণা যোগাবে, তার মধ্যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে ওবামার উত্থান হযে থাকবে এক কালজয়ী মাইলফলক। কালো মানুষদের দেশ কেনিয়া থেকে সর্বোন্নত দেশ আমেরিকার জ্ঞানের ভান্ডার থেকে উন্নত চিন্তা ধারণ করে দেশে ফিরে নিজের দেশটাকে সামনে এগিয়ে নেবার স্বপ্ন নিয়ে যে মানুষটি ষাটের দশকে এ দেশে এসেছিলো সে কি কখনো চিন্তাও করতে পেরেছিলো যে তার সন্তান এক দিন সব চেয়ে শক্তিশালী দেশটির কর্ণধার হবে? … লিখছেন মনজুর চৌধুরী।
10204 বার পড়া হয়েছে
 

  ওবামার বেড়ে উঠা

অনেক আশা নিয়ে দুনিয়া জোড়া বঞ্চিতদের গর্বের প্রতিনিধি হিসেবে ২০০৯ সালের ২০শে জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বারাক হুসেইন ওবামা, জুনিয়র শপথ গ্রহণ করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৃহৎ ও শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও কর্ণধার হিসেবে একজন খেটে খাওয়া মানুষ আর্বিভূত হওয়ায় দুনিয়ার সবাই আশায় বুক বাঁধে- যাক! যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতির হয়তো পরিবর্তন হবে। কিন্তু একথা ভুলে গেলে চলবেনা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায় যেকোনো ধরণের রাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন শুধু দুই দলের মধ্যে ক্ষমতা পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্ভব নয়। তবে আশার কথা এই যে, বুশের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বদলে বিশ্ব ওবামার পরিশীলিত আচরণ দেখতে পাচ্ছে। বলেন। … লিখছেন নূর-এ-ফায়জা বর্ষা।
4319 বার পড়া হয়েছে
 

  ঘটনাপঞ্জী : প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা

আমেরিকার ৪৪তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে বারাক ওবামা ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। স্বভাবত:ই সবার কৌতুহল তার জীবন ও উত্থান নিয়ে। এখানে প্রেসিডেন্ট ওবামার জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সময়ানুক্রমে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলঃ ১৯৫৯ কেনিয়ার মেধাবী ছাত্র বারাক ওবামা, সিনিয়র (প্রেসিডেন্ট ওবামার বাবা) ২৩ বছর বয়সে একটি আমেরিকান প্রোগ্রামের বৃত্তি নিয়ে গণিত ও পরিসংখ্যানের উপর পড়াশুনা করার জন্য ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াইতে আসেন। উল্লেখ্য যে তিনিই ছিলেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আফ্রিকান ছাত্র। ... লিখছেন সালেহীন মনোয়ার রেশাদ।
3519 বার পড়া হয়েছে
 

এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.